প্রকাশ: রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:২৫ পিএম (ভিজিট : )
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা ১ থেকে ১৮ টি আসনের অনেকগুলো কেন্দ্র ঘুরে দেখার সুযোগ হয়েছে। আমার চোখে দেখা ওমেন এন্টারপ্রেনার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ওয়েব) নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসাবে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ওয়েব নিরলসভাবে কাজ করেছেন ।
মিরপুর ১০ নম্বরের একটি কেন্দ্রে আমি ছিলাম, ভোট গননার সময় ওয়েব এর পর্যবেক্ষকদের প্রিজাইডিং অফিসার বের করে দেন। সরেজমিনে দেখতে পাই ওয়েব এর পর্যবেক্ষকরা তাদের প্রধান সমন্বয়ক শাহ আলম কিরণকে ফোন করেন এবং কিছুক্ষনের মধ্যে তিনি আসেন।
ওয়েব এর পর্যবেক্ষকদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার বিষয়ে শাহ আলম কিরণ জানতে চান,গেইটে দায়িত্বরত কর্মকর্তা এই বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি।এই বিষয়ে টহলরত আর্মি অফিসার কে বিষয়টি অবহিত করা হলে সেনাবাহিনীর টহলরত সদস্যরা মুল গেইটের সামনে আসেন।
সমন্বয়ক শাহ আলম কিরণ ওয়েব এর পর্যবেক্ষকদের উক্ত কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারকে ফোন করতে বলেন। প্রিজাইডিং অফিসার অস্বীকৃতি জানালে শাহ আলম কিরণ উত্তেজিত ও ক্ষুব্দ হন এবং আর্মিদের কথা বলেন, এক পর্যায়ে প্রিজাইডিং অফিসার গেইট খুলে দিতে বাধ্য হন।
প্রিজাইডিং অফিসার এবং পর্যবেক্ষক দু'জনেই নির্বাচন কমিশনের নির্বাচিত প্রতিনিধি তাই এমন আচরণ এবং বিভ্রান্তিকর অবস্থায় পর্যবেক্ষকদের ভবিষ্যতে যেন পড়তে না হয় সেই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন এবং সরকার দেখবেন বলে আমরা মনে করি।
নির্বাচন কমিশন দেশের প্রায় ৫০০ প্রতিষ্ঠান থেকে যাচাই, বাছাই করে মাত্র ৮০ টি কোম্পানিকে পর্যবেক্ষক হিসাবে কাজের জন্য নির্বাচন করেছেন। সেই দিক থেকে বিবেচনা করলে অন্যান্য কোম্পানির তুলনায় ওমেন এন্টারপ্রেনার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ওয়েব) অবজার্ভারদের ভোট কেন্দ্রে অনেক সক্রিয় দেখা গেছে। ওয়েব পর্যবেক্ষকদের তারেক রহমান ভোট প্রদানকালে তার সামনে দেখা গেছে। তাছাড়া ঢাকা বিভাগের ২০ টি আসনসহ ওয়েব সিলেট বিভাগের নির্বাচনী পর্যবেক্ষকের কাজ করেছেন বলে জানা গেছে।
সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের নির্বাচন বিগত বছরের তুলনায় অনেক ভাল বলে মনে হয়েছে এবং মানুষ কে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ফিরে আসতে দেখা যায়নি। ভোট কেন্দ্রে ভয়ভীতিও ছিল না। অনেক দেরি হলেও মানুষ তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছেন।