প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৮:২১ পিএম
(ভিজিট : ৯)
রাতের অন্ধকারে চেনামতি গ্রামে ঘটে যাওয়া নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ খুলে গেল মাত্র দশ দিনেই।
গত ১৩ জুন রাতে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার পরৈকড়া ইউনিয়নের চেনামতি গ্রামে এনি বড়ুয়া ও তাঁর মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়াকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হন অর্ক বড়ুয়া। ৯৯৯-এ খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আনোয়ারা থানা পুলিশ ও ডিবির যৌথ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।
প্রযুক্তির সহায়তা আর গোয়েন্দা তৎপরতায় দ্রুতই সন্দেহের তীর গিয়ে পড়ে রিমন বড়ুয়া ওরফে তেজপ্রিয় বড়ুয়ার দিকে। পটিয়া রেলস্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের সূত্র ধরেই উদ্ধার হয় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি এবং নিহত এনি বড়ুয়ার মোবাইল ফোন। তদন্তে বিশেষ ভূমিকা রাখে এনি বড়ুয়ার মৃত্যুকালীন জবানবন্দির ভিডিও।
২২ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, পোস্টমর্টেম রিপোর্ট এবং আদালতে আসামির নিজের স্বীকারোক্তি সব মিলিয়ে তদন্তের ভিত্তি দাঁড়িয়ে গেল মজবুতভাবে। অবশেষে ২৪ জুন, মামলা রুজুর মাত্র দশ দিনের মাথায়, রিমন বড়ুয়ার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ।
দুটি তাজা প্রাণ ঝরে যাওয়ার এই মামলায় তদন্তের এই গতি এবং দক্ষতা জেলা পুলিশের জন্য নিঃসন্দেহে বড় সাফল্য। এখন অপেক্ষা আদালতের রায়ের।