প্রকাশ: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৮:৪৭ পিএম (ভিজিট : ২৩)
ফ্লাইওভারের নিচে কাপড় টাঙানো, মশারি খাটানো এযেন রীতিমতো সংসার গড়ে তুলেছে।। পাশেই চলছে মাদক সেবন। সন্ধ্যা নামলেই পথচারীদের মনে ভর করে আতঙ্ক, কখন কে ঝাঁপিয়ে পড়বে ছিনতাই করতে। চট্টগ্রাম নগরীর ওয়াসা মোড় থেকে বহদ্দারহাট পর্যন্ত ফ্লাইওভারের নিচের চিত্র এতদিন এমনই ছিল।
অবশেষে সোমবার (১৫ জুন) এই অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে অভিযানে নামল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।
এশিয়ান হাইওয়ের সিডিএ এভিনিউ এলাকায় সড়ক বিভাজকের লোহার গ্রিল কেউ খুলে নিয়ে গেছে ,কেউ বাধা দেয়নি, কেউ প্রশ্নও করেনি। সেই ফাঁকা জায়গায় ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী বসতি। দিনের আলোতেও চলেছে অনৈতিক কার্যকলাপ। রাতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, মাদকসেবীরা আইল্যান্ডে ওঁৎ পেতে বসে থাকত, সুযোগ পেলেই ছিনতাইয়ের চেষ্টা।
নগরীর ব্যস্ততম এই সড়কে চলাফেরা করা সাধারণ মানুষের কাছে সন্ধ্যার পর এলাকাটি হয়ে উঠেছিল একটি আতঙ্কের নাম।
আজ চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ফ্লাইওভারের নিচে গড়ে ওঠা অবৈধ বসতি ও স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। নগরের সৌন্দর্য রক্ষা, জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সরকারি জায়গা দখলমুক্ত রাখাই ছিল এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
চসিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি একটি একক অভিযান নয় ,সরকারি জায়গা দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলতে থাকবে।
তবে শুধু উচ্ছেদই যথেষ্ট কিনা, সেই প্রশ্নও আছে। অভিযান শেষে দখলদাররা আবার ফিরে আসে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়। নগরবাসী চান স্থায়ী সমাধান, সাময়িক অভিযান নয়।