সোমবার ৮ জুন ২০২৬ ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
 
শিরোনাম:


‎জনবল সংকটে ধুঁকছে নাকি অবহেলায় সালথার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ
প্রকাশ: রোববার, ৭ জুন, ২০২৬, ৮:৫৩ পিএম   (ভিজিট : )
চার পরিদর্শিকায় চলছে ৯ কেন্দ্র, সপ্তাহে একদিন খোলা থাকে কিছু কেন্দ্র ‎ডিসেম্বর থেকে কোনো ঔষধ সরবরাহ নেই- পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা
‎‎
‎ফরিদপুরের সালথা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলো দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকটে ধুঁকছে। প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভাবে উপজেলার কয়েকটি কেন্দ্রে সপ্তাহে মাত্র একদিন সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কোথাও কোথাও আয়া ছাড়া অন্য কোনো কর্মী না থাকায় কেন্দ্রগুলো কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এতে পরিবার পরিকল্পনা, মাতৃস্বাস্থ্য ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন।
‎উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গট্টি, আটঘর, রামকান্তপুর, ভাওয়াল, মাঝারদিয়া, সোনাপুর, যদুনন্দী, বল্লভদীসহ মোট ৮ টি ইউনিয়নে ৯ টি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যায়ের জনগণকে পরিবার পরিকল্পনা, গর্ভকালীন সেবা, প্রসব-পরবর্তী পরামর্শ এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় সেবার মান ও পরিধি দুটোই কমে গেছে।
‎কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকার সংখ্যা রয়েছে মাত্র চারজন। উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ও ফার্মাসিস্টের পদ শূন্য রয়েছে। নিরাপত্তা প্রহরীর সাতটি পদের বিপরীতে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র একজন। আয়ার দুটি পদও দীর্ঘদিন ধরে খালি রয়েছে।
‎রবিবার (৭জুন) সরেজমিনে দেখা যায়, জনবল সংকটের কারণে ইউনিয়নের পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে একজন পরিদর্শিকাকে একাধিক কেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এতে নিয়মিত সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
‎অফিস থেকে জানা গেছে, গট্টি ও ভাওয়াল, আটঘর ও রামকান্তপুর, সোনাপুর ও মাঝারদিয়া এবং বল্লভদি ও যদনন্দী কেন্দ্র পরিদর্শিকাদের দায়িত্ব ভাগ করে পরিচালিত হচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সব কেন্দ্রে নিয়মিত সেবা প্রদান ব্যাহত হচ্ছে।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, রামকান্তপুরের আসমা বেগম বলেন, ওষুধের জন্য আসি, বেশির ভাগ সময়ই ঘুরে যাই। 

খারদিয়া এলাকায় জয়নাল মাতুব্বর বলেন, ক্লিনিকটা প্রায় ভূতের ঘরের মতো, সপ্তাহে একদিন খোলে, তাও ওষুধ পাওয়া যায় না। প্রায় ৬০ বছর বয়সী ছবুরন বেগম বলেন, কেন্দ্রটা কবে খোলে, কবে বন্ধ থাকে বুঝি না। ওষুধ না পেলে আমরা যাব কোথায়? 
‎চান্দা খোলা মিনাজদিয়া মেম্বার মজনু সরদার জানান প্রায় ৯ মাস হলো এখান থেকে কোন স্বাস্থ্য সেবা ও কোন ঔষদ পাচ্ছিনা আমরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন যে যিনি এখানে ডিউটি করেন তার ব্যবহার ভাল নয় শুধু খেঁচ খেঁচ করে এবং বলে ঔষধ কিনে খাইতে পারোনা। 

এ ব্যাপারে সোনাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান বাবু মোল্যার সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোন ব্যস্ত পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে সালথা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রুবিউল ইসলাম বলেন, ওষুধপত্র ও কনট্রাসেপটিভ সামগ্রীর চাহিদা রয়েছে। 

জনবল সংকটও রয়েছে। শূন্য পদগুলোতে জনবল নিয়োগ প্রয়োজন। গত ডিসেম্বরের পর থেকে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ পাওয়া যায়নি।








আরও খবর


  সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম প্রবাসী ক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত: ১১ জুন জাফলংয়ে আনন্দ ভ্রমণ
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের মামলার পলাতক আসামি হেলাল চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
অপহরণের দুই ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার কাতার প্রবাসী প্রকৌশলী, আটক ৪
আন্দরকিল্লা থেকে দেওয়ানবাজার পর্যন্ত উচ্ছেদ দেড় শতাধিক দোকান
বাগেরহাটের ফয়লাবাজারে পচা মাংস বিক্রির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
আরো খবর ⇒


  সর্বাধিক পঠিত

এন্দ্রিকের গোলে জয়ে ব্রাজিলের প্রস্তুতি শেষ
টেঁটা যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে নবীনগরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা শিশু মিয়া নিজেকে দাবি করলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক গড়ছে বিটেক ওয়ার্ল্ড
আরব দেশগুলোকে ইরানের জব্দ অর্থ দেওয়ার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
ভালুকায় ছাত্রলীগের বিরোদ্ধে ছাত্রদলের প্রতিবাদ মিছিল
প্রকাশক: এম এন এইচ বুলু
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মাহফুজুর রহমান রিমন  |   উপদেষ্টা সম্পাদক : রাজু আলীম  
বিএনএস সংবাদ প্রতিদিন লি. এর পক্ষে প্রকাশক এম এন এইচ বুলু কর্তৃক ৪০ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বুলু ওশেন টাওয়ার, (১০তলা), বনানী, ঢাকা ১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
ফোন:০২৯৮২০০১৯-২০ ফ্যাক্স: ০২-৯৮২০০১৬ ই-মেইল: [email protected]