নেদারল্যান্ডসকে সামনে পেয়ে রীতিমতো আগুন ঝরালেন তাসকিন আহমেদ! এই ডানহাতি পেসারকে সামলাতে চোখে সর্ষে ফুল দেখেছেন ডাচ ব্যাটাররা। এদিন দুর্দান্ত ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমানও, বেশ মিতব্যায়ী বোলিং করেছেন তিনি। তাসকিন-মুস্তাফিজদের আলো ছড়ানোর দিনে দেড়শ রানও স্কোরবোর্ডে তুলতে পারেনি নেদারল্যান্ডস।
সিলেটে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রান করে নেদারল্যান্ডস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেছেন তেজা। বাংলাদেশের হয়ে ২৮ রানে ৪ উইকেট শিকার করে ইনিংসের সেরা বোলার তাসকিন।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই স্পিন আক্রমনে যান লিটন দাস। নতুন বল তুলে দেন শেখ মেহেদির হাতে। প্রথম ওভারে ডানহাতি এই অফ স্পিনার বেশ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। তবে অপর প্রান্ত থেকে পেস আক্রমণে যায় বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভার করতে এসে তিন বাউন্ডারি হজম করেন শরিফুল ইসলাম।
এক ওভার করার পরই শরিফুলকে সরিয়ে তাসকিন আহমেদকে আক্রমণে আনেন লিটন। তাতেই সাফল্যের দেখা পায় বাংলাদেশ। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে বোলিংয়ে এসে নিজের করা প্রথম বলেই ব্রেকথ্রু এনে দেন তাসকিন।
মিডল-লেগ স্টাম্পের ওপর করা গুড লেংথের বলে শর্ট কভারে জাকের আলির হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ম্যাক্স ও'ডাউড। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৫ বলে ২৩ রান।
অষ্টম ওভারে বোলিংয়ে ফিরে আবারো প্রথম বলেই উইকেট পেয়েছেন তাসকিন। এবার তার শিকার ভিক্রমজিত সিং। এই পেসারের করা খাটো লেংথের বলে লং অনে ধরা পরেন ভিক্রম।
প্রায় দুই বছর পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেছেন সাইফ হাসান। সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জায়গা পেয়েছেন একাদশেও। লম্বা সময় পর দলে ফিরে বল হাতে আক্রমণে এসে প্রথম ওভারেই ২ উইকেট শিকার করলেন এই স্পিনার।
দুই বছর পর জাতীয় দলে ফিরে প্রথম ওভারেই ২ উইকেট নিয়েছেন সাইফ হাসান
ইনিংসের ১০ম ওভারের চতুর্থ বলটি লেগ স্টাম্পের ওপর করেছিলেন সাইফ, সেখানে প্যাডল সুইপ করেন স্কট এডওয়ার্ডস। তবে ঠিকমতো টাইমিং করতে পারেননি। তাতে বল চলে যায় লং লেগে, খানিকটা দৌড়ে এসে দারুণ ক্যাচ নেন জাকের। ৭ বলে ১২ রানের বেশি করতে পারেননি ডাচ অধিনায়ক।
দুই বল পরই তেজা নিদামিনুরুকেও ফিরিয়েছেন সাইফ। এবারও একই ধরনের ডেলিভারিতেই উইকেট পেয়েছেন এই স্পিনার। তাওহিদ হৃদয়ের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ২৬ রান করেছেন এই ব্যাটার।
৮৬ রানে পঞ্চম উইকেট হারানো ডাচরা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় অনেকটাই ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে ২০ ওভার খেলেও দেড়শ রান করতে পারেনি।