প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৮:১৮ পিএম (ভিজিট : ৩৬)
আর মাত্র একদিন পরেই খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। এ উপলক্ষে বর্ণিল আলোকসজ্জায় সেজেছে ইতালির শহরগুলো। গির্জাগুলোকে সাজানো হয়েছে নানারূপে। সেগুলো দেখতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা।
দেশটির রোম, মিলান, ভেনিস খ্রিস্টান ধর্মালম্বীদের তীর্থস্থান ভ্যাটিক্যান সিটিতে আলোকসজ্জাসহ নানা আয়োজন করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা হয়েছে ক্রিসমাস ট্রি। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার বাইরে সামাজিক-সাংস্কৃতিকসহ আনুষঙ্গিক আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছেন খ্রিষ্ট ধর্মালম্বীরা। দেশের সব গির্জাসহ খ্রিষ্টান পরিবারগুলো ক্রিসমাস ট্রি সাজিয়ে, কেক তৈরি করে এবং মোমবাতি জ্বালিয়ে বড়দিন উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছেন। রয়েছে বিশেষ খাবারের আয়োজন। আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার জন্য অনেকে এ দিনটি বেছে নেবেন। সান্তা ক্লজ শিশুদের মধ্যে উপহার বিনিময়ের মাধ্যমে আনন্দে ভরিয়ে তুলবেন দিনটি।

সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) ভেনিস-ভিছেন্সার বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, শেষ মুহুর্তে গির্জার সজ্জায় ব্যস্ত রয়েছে স্থানীয় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা। রংতুলির আঁচড়ে গীর্জার আশপাশে ঘরবাড়ির দেয়ালে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে নানা চিত্রকর্ম। ফুল, বেলুন ও আলোকসজ্জায় রাঙানো হচ্ছে উপাসনালয়। পথে ঘাটে বড়দিন উপলক্ষে বসেছে অস্থায়ী মেলা ও দোকান। এসব মেলায় পাওয়া যাচ্ছে ক্রিসমাস সামগ্রী, ঐতিহ্যবাহী রকমারি খাবার, চকলেট, ক্যান্ডি,শীতের পোশাক এবং পারিবারিক নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য। অস্থায়ী দোকান ও মেলায় স্থানীয়দের পাশাপাশি অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরাও।

খ্রিষ্ট প্রথম শতাব্দী থেকে বড় দিনের উৎসবের ইতিহাস ইতালির সঙ্গে মিশে আছে ওতপ্রোতভাবে। প্রায় দুই হাজার বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী বড়দিনের উৎসব উদ্দীপনা যা দেশটির কৃষ্টি, দর্শন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিপূরক হিসেবে মিশে আছে। সেই সঙ্গে বিশ্বময় বড়দিনের উৎসব ছড়িয়ে দিতে ইতালীয়দের অবদান অনস্বীকার্য। পৃথিবীর প্রায় সবদেশে বড়দিনের উৎসব আনন্দের প্রভাব পড়ে। কেবল এই একটিমাত্র উৎসবে সরকারিভাবে ছুটি থাকে সমগ্র পৃথিবীর প্রায় সবকটি দেশে। তাই বড়দিনের আলোক সজ্জার মতো শান্তির পরশ ছড়িয়ে পড়ুক বিশ্বময়, এমনটাই প্রত্যাশা যীশু প্রেমিক খ্রীষ্ট ধর্মাবলম্বীদের।