প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৭:১৪ পিএম (ভিজিট : ৫৩)
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক বিজয়কে বুকে ধারণ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক নগরী দুবাই বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রাঙ্গনে এই দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয়।
গত ৫ই আগস্টের পট পরিবর্তনের পর আমিরাতে এবারের বিজয় দিবস উদযাপনে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ করে শুনানো হয়। পরে বক্তব্য রাখেন কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান। সকল মুক্তিযোদ্ধার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে কনসাল জেনারেল আহবান জানিয়ে বলেন, মহান বিজয় দিবসে স্বাধীনতার সুফল জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার এবং বিদেশের মাটিতে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখার আহবান করেন তিনি।
নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার নিয়ে আগামীতে আরো নতুন অনুষ্ঠান উপহার দেয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান। এদিকে এই বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানকে ঘিরে বাংলাদেশ কমিউনিটির মধ্যে অসন্তুষ্টি লক্ষ্য করা যায়। কমিউনিটি নেতাদের অভিযোগ এবারের আয়োজনে অসংখ্য কমিউনিটি নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি এবং এখনো সেই আগের বৈষম্যতা বিরাজ করছে কনস্যুলেটে, যতদিন এই বৈষম্য থেকে বেরিয়ে না আসতে পারবে ততদিন প্রবাসী বাংলাদেশিরা সঠিক সেবা পাবেনা বলে মনে করেন তারা। অনেকেই মনে করেন বিগত ১৬টি বছর একটি স্বার্থান্বেষী মহল এই কন্সুলেটকে কুক্ষিগত করে রেখেছিলো আজও সেই মহলটি ভর করে আছে কন্সুলেট, তাদের চিহ্নিত করে কনস্যুলেট থেকে বিতারিত করতে হবে, কন্সুলেট হতে হবে প্রবাসীদের কন্সুলেট হবে বাংলাদেশীদের এটাই আশা আমিরাত প্রবাসী বাংলাদেশীদের। তাছাড়া কিছু ব্যক্তিকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য ও নষ্ট করা হয়েছে বলেও দাবি তাদের। দুবাইয়ে বাংলাদেশ কনসুলেট প্রাঙ্গনে বিজয় দিবসের এই অনুষ্ঠানে গান কবিতা আবৃত্তি নিত্য পরিবেশন করেন রাস আল-খাইমা বাংলাদেশ স্কুলের শিক্ষার্থী ও কনসুলেটের কর্মকর্তা বৃন্দ।