প্রকাশ: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৪ এএম
(ভিজিট : ২১)
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা হবিরবাড়ি ইউনিয়ন সোনার বাংলা স্কুল এন্ড কলেজের লাখ লাখ টাকার নির্মাণ সামগ্রী গোপনে নামমাত্র মূল্যে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্কুল শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। আবার সেই টাকা দিয়ে শিক্ষকরা আনন্দ ভ্রমণও করেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্প্রতি প্রকাশ্য নিলাম ছাড়াই আনুমানিক ৫-৬ লাখ টাকার ইটের খোয়া ও রড মাত্র ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয় স্কুলেরই সহকারী শিক্ষক মুজাহিদুল ইসলাম মল্লিকে কাছে। মল্লিক সেই মালামাল তার শশুরবাড়িতে পাঠিয়েছেন। তবে এসব অভিযোগ করে অস্বীকার করে,প্রধান শিক্ষকের দাবি তিনি সকল নিয়ম নীতি মোতাবেক মালসামাল বিক্রি করেছেন ।
স্থানীয় কালাম খান জানান, এখানে প্রায় ৬/৭ টাকার মালামাল ছিল, স্কুলের শিক্ষকরা কিভাবে সেটা বিক্রি করে, কমিটির রেজুলেশন, এবং নিলামের মাধ্যমে মালামাল বিক্রি করতে হয়, আমি এর সঠিক তদন্ত চাই। মালামাল বহন কারি গাড়ী চালক জানান, আমি সাত গাড়ি খোয়া ও কিছু রড মল্লিক স্যারের বাড়ি মুলাইদ শ্রীপুর নিয়ে যাই। স্কুলের সাবেক এক শিক্ষক জানান, আমি শুনেছি স্কুলের মাল চুরি করে বিক্রি করেছে পরে প্রধান শিক্ষককে ফোন করি তিনি বলেন সট রেজুলেশন করে মাল বিক্রি করা হয়েছে।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, আমরা মসজিদের জন্য মাল কিনতে চেয়েছিলাম, পরে আমাদের না জানিয়ে শিক্ষকরা মাল বিক্রি করেছে আমরা এর সঠিক তদন্ত চাই।
সহকারী শিক্ষক মুজাহিদুল ইসলাম মল্লিক বলেন, আমি সর্বোচ্চ মূল্য দিয়ে কিনেছি মালের ডাক হয়েছে তারপর নিয়ম মেনে কিনেছি আমি শ্বশুর বাড়ি না আমার নিজের বাড়িতে নিয়েছি।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম মানিক বলেন, বিদ্যালয়ের অব্যবহৃত ও অতিরিক্ত মালামালগুলো যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং বিধি মোতাবেকই বিক্রি করা হয়েছে। এখানে কোন ধরনের অনিয়ম হয়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন জানান, মালামাল বিক্রির বিষয়টি তদন্ত করে অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।