প্রকাশ: রোববার, ৭ জুন, ২০২৬, ৭:১৯ পিএম (ভিজিট : )
কোরবানির তালিকা থেকে বাদ পড়ে জাতীয় চিড়িখানায় ঠাঁই হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামে ভাইরাল হওয়া অ্যালবিনো প্রজাতির মহিষটির। তবে মহিষটি নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক এখনও থামেনি।
চিড়িয়াখানায় মহিষটি উপযুক্ত পরিবেশ ও যত্ন পাচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছেন নেটিজেনদের অনেকে।
তবে এসব অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার। তার অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহিষটি নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
রবিবার (৭ জুন) ছুটির দিনে সরেজমিনে দেখা গেছ, চিড়িখানার এল-০৭ সেডে আলাদা রাখা হয়েছে অ্যালবিনো প্রজাতির আলোচিত সাদা মহিষটিকে। তার সামনে খাবারের জায়গা, পাশে একটি লাল বড় বালতি ও লাল ড্রাম রয়েছে। লাল ড্রামের ওপর একটি কালো ছাতা রয়েছে। মহিষটির দাঁড়ানোর জন্য দুপাশে দুটি করে মোট চারটি রাবারের প্যাড রাখা আছে।
মহিষের সামনে ও পেছনে দুটি স্ট্যান্ড ফ্যান। ওপরে টিনের সঙ্গে আটকানো আছে হালকা বাদামি রংয়ের বড় মশারি। সেডের সঙ্গে রয়েছে তিনটি প্লাস্টিকের চেয়ার। মহিষটিকে দেখে সুস্থ স্বাভাবিক মনে হয়েছে।
অ্যালবিনোর জন্য এত আয়োজন কেন জানতে চাইলে ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, “তার জন্য কোনও কিছু অতিরিক্ত করা হয়নি। এখানে যা যা দেখছেন তা স্বাভাবিক।”
তিনি বলেন, “কিছু কিছু বন্যপ্রাণীর ঘর্মগ্রন্থি কম থাকে, অ্যালবিনো তার একটি। এই ধরনের প্রাণীরা সাধারণত নিজে থেকে খাল বিল, নালা, পুকুর বা নদীতে শরীর ভেজায়। এখানে সেই ব্যবস্থা নেই। তাছাড়া এটি কারও বাড়িতে বা কোনও খামারে পোষা হয়েছিল। আমাদের দেশে বাড়ি বা খামারে গরু মহিষ পালনের সময় খামারিরা দিনে অন্তত দুবার প্রাণীর শরীর ধুয়ে দেন। গরমের জন্য ফ্যানের ব্যবস্থাও থাকে। অতিরিক্ত গরমের চিড়িয়াখানায় নতুন আসা মহিষটিকে ফ্যান দেওয়া হয়েছে।”
চিড়িয়াখানায় অন্যান্য বন্য প্রাণীর মধ্যে লামা ও ক্যাঙ্গারুর সেডেও ফ্যানের ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানান রফিকুল ইসলাম তালুকদার।