প্রকাশ: রোববার, ১৭ মে, ২০২৬, ৮:৩৬ পিএম (ভিজিট : )
গাজীপুর দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পনগরী। শিল্প, শ্রম, উৎপাদন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও দীর্ঘদিন ধরে নানা নাগরিক সংকট ও উন্নয়ন বঞ্চনার অভিযোগ রয়েছে জেলার মানুষের মধ্যে। এ প্রেক্ষাপটে গাজীপুরবাসীর দাবি, জাতীয় পর্যায়ে জেলার কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে অভিজ্ঞ ও জনসম্পৃক্ত রাজনীতিক একেএম ফজলুল হক মিলন-কে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হোক।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দেশের সর্বোচ্চ ভোটারসমৃদ্ধ জেলাগুলোর একটি হওয়া সত্ত্বেও গাজীপুর দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন সংকট, জলাবদ্ধতা, শিল্পদূষণ, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, শ্রমিক অসন্তোষ এবং নাগরিক সেবার সীমাবদ্ধতার মতো সমস্যায় জর্জরিত। এসব সংকট সমাধানে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে শক্তিশালী প্রতিনিধিত্ব জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কোনো জেলার প্রতিনিধি মন্ত্রিসভায় থাকলে সেই জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামো, নাগরিক সুবিধা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ গুরুত্ব পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় গাজীপুরের কোনো কার্যকর মন্ত্রিসভা প্রতিনিধিত্ব না থাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে এক ধরনের হতাশা ও বঞ্চনার অনুভূতি তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, নির্বাচন এলেই উন্নয়ন ও জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও মন্ত্রিসভা গঠনের সময় গাজীপুরের গুরুত্ব প্রায়ই উপেক্ষিত থাকে। ফলে জেলার মানুষ নিজেদের অবহেলিত মনে করছেন।
গাজীপুরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রত্যাশা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা বিভাগীয় সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও গাজীপুর-৫ আসন থেকে একাধিকবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য একেএম ফজলুল হক মিলন-এর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততা বিবেচনায় তাকে মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তাদের মতে, জনবান্ধব ও মাটি ও মানুষের নেতা হিসেবে পরিচিত এই রাজনীতিক মন্ত্রিসভায় স্থান পেলে গাজীপুরের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান, শিল্পাঞ্চলের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। গাজীপুরবাসী আশা করছেন, ভবিষ্যতে জাতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে জেলার যথাযথ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে এবং গাজীপুরের উন্নয়ন প্রত্যাশা বাস্তব রূপ লাভ করবে।