প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৯ পিএম
(ভিজিট : ১৮)
পাবনার ঈশ্বরদীতে সম্মিলিত নাগরিক জোটের উদ্যোগে পাবনা- ঢাকা ট্রেন ঈশ্বরদী জংসন ষ্টেশন ষ্টপেজ এর দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে পাকশী রেলওয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থাপকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সদস্যসচিব আশিকুর রহমান লুলু মানববন্ধনের উদ্দেশ্য উপস্থাপন করেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের আহবায়ক মাহবুবুর রহমান পলাশ, বিএনপি নেতা আতাউর রহমান পাতা, শ্রমিকদল নেতা সোহেল রানা, ঈশ্বরদী শিল্প ও বনিক সমিতির নির্বাহী সদস্য সাঈফ হাসান সেলিম ও আকরাম রায়হান বাবু প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, পাবনা থেকে যে ট্রেনটি ঢাকা যাবে এতে ৮০০ থেকে ৯০০ যাত্রী যেতে পারবে। পাবনা থেকে ৮০০-৯০০ যাত্রী পাওয়া অসম্ভব। ট্রেনে পরিপূর্ণ যাত্রী না হলে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হবে। ওই ট্রেনটি ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশন হয়ে ঢাকায় গেলে পরিপূর্ণ যাত্রী পাবে। পাবনা থেকে আসা ট্রেনটি মাঝগ্রামে ইঞ্জিন বদল করতে হবে। মাঝগ্রাম থেকে ঈশ্বরদী আসতে মাত্র তিন থেকে চার মিনিট সময় লাগবে। ঈশ্বরদী স্টেশনে এসে ইঞ্জিল বদল করলে এই সময়ের মধ্যে যাত্রীরা ট্রেনে উঠে যাবে। এতে সরকার রাজস্ব পাবে।
বক্তার আরো বলেন, মাঝগ্রাম একটি নিভৃত এলাকা। এখানে যাত্রীদের নিরাপত্তার চরম অভাব এবং যাতায়াতের জন্য রাস্তাঘাট নেই। ঈশ্বরদীতে আণবিক প্রকল্প, ইপিজেড, ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র, আঞ্চলিক ডাল ও কৃষি গবেষণা কেন্দ্র এবং আলহাজ্ব টেক্সটাইল মিল রয়েছে। ঈশ্বরদী স্টেশনে ট্রেনটি এলে পার্শ্ববর্তী লালপুর, ভেড়ামারা ও আশপাশের যাত্রী সাধারণ সহজেই ঢাকায় যেতে পারবেন। ঈশ্বরদী বাজারের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে পাবনা ঢাকা ট্রেনটি ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে আসা জরুরি প্রয়োজন।
মানববন্ধন শেষে নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপি বিভাগীয় ব্যবস্থাপকের মাধ্যমে মহাপরিচালক বরাবর প্রদান করতে গেলে বিভাগীয় ব্যবস্থাপক আবু হেনা মোস্তফা আলমের অনুপস্থিতে বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মো. মোশারেফ হোসেন ভূইঁয়া স্মারকলিপি গ্রহন করে।
এরপর নেতৃবৃন্দ সেখান থেকে ফিরে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে রেল সচিব বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
এ সময় ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মোহম্মদ শোয়াইব স্মারকলিপি গ্রহন করেন।
আয়োজিত কর্মসূচিতে সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজকর্মী ও সুশিল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।