ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নে আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালাচ্ছেন মুহাম্মাদ ছরোয়ার হোসেন। স্থানীয়দের কাছে তিনি মূলত নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া ছরোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক উন্নয়ন ও মানবসেবামূলক কাজে যুক্ত রয়েছেন। তিনি নিজ উদ্যোগে ইউনিয়নের বিভিন্ন কাঁচা-পাকা সড়কের সংস্কার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান ও শ্মশানের উন্নয়ন ও সংস্কারে সহযোগিতা করেছেন বলে দাবি করেন।
এ ছাড়া অসহায় রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা, প্রতিবন্ধীদের হুইলচেয়ার প্রদান, শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ ও আর্থিক সহায়তা এবং দরিদ্র পরিবারের কর্মসংস্থানে সহায়তার মতো কার্যক্রমেও তিনি সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
সরকারি বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি—বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও মাতৃত্বকালীন ভাতাপেতে সাধারণ মানুষকে আবেদন ও প্রক্রিয়াগত সহায়তা করার কথাও জানান স্থানীয়রা।
সোনাপুর নিবাসী (রাবুর মা) ৬৫ বছর তিনি জানান ছরোয়ার বাবা আমার মাথা গুজার ঠাঁই করে দিয়েছেন আমি তার জন্য দোয়ার করি আল্লাহ তুমি তার মনের আশা পূরণ করো, চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী সম্পর্কে জানতে চাইলে জানান শুধু চেয়ারম্যান নয় আল্লাহ যেন তারে আরো বড় কিছু বানায়। তিনি মাঝে মধ্যে লোক মারফত আমার খোঁজ খবর নেন।
দরজা ফুকরা নিবাসী মরহুম বাচ্চু সেখ এর স্ত্রী তিনি জানান ছরোয়ার মামা আমাকে একটি ঘর করে দিয়েছেন এবং সালথা তান্ডব এর মামলার ধড়পাকোড় এর সময় আমার স্বামী বেঁচে ছিলেন ভ্যান চালিয়ে আমাদের সংসার চালাতো তিনি পুলিশের ভয়ে বাড়ী থাকতে পারেননি তখন আমাদের খাদ্য সহাওয়াতা করেছে ঐ ছরোয়ার মামা আমরা তার এই ঋণ কখনো পরিষোধ করতে পারবোনা।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুহাম্মাদ ছরোয়ার হোসেন বলেন, “জন্মেছি, একদিন মরতেও হবে। কিন্তু মৃত্যুর পর মানুষ যেন আমার ভালো কাজের জন্য আমাকে স্মরণ করে, সেই লক্ষ্য নিয়েই মানুষের পাশে আছি। মানুষের দুঃখে পাশে দাঁড়াতে পারলেই আমার শান্তি।”
তিনি আরও বলেন, “আমি কোনো সরকারি দায়িত্বে ছিলাম না। নিজের সামর্থ্য ও নিজস্ব অর্থায়নে যতটুকু সম্ভব মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। করোনা মহামারির সময় কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী, নগদ অর্থ ও ওষুধ বিতরণ করেছি।”
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “চেয়ারম্যান হওয়ার লক্ষ্য শুধু ক্ষমতা নয়, মানুষের সেবা করা। জনগণ যদি আমাকে সুযোগ দেয়, তাহলে সোনাপুর ইউনিয়নকে একটি উন্নয়ন ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব।”
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ জানান, বিভিন্ন সময় ছরোয়ার হোসেনকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেছে। বিশেষ করে চিকিৎসা সহায়তা ও জরুরি আর্থিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে তিনি এগিয়ে আসেন বলে দাবি করেন তারা।
সবশেষে তিনি বলেন, “আমার ইউনিয়নের সাধারণ মানুষই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের ভালোবাসা ও দোয়া নিয়েই আমি সামনে এগিয়ে যেতে চাই।”