প্রকাশ: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:২১ পিএম (ভিজিট : ৭)
ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানে ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা সদর বাজার প্লাবিত হয়েছে। আজ শনিবার (১৩ জুন) সকালে উপজেলার মহারশি ও সোমেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে উপজেলা সদর বাজার প্লাবিত হয়। পানি বাড়া অব্যাহত থাকলে জেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে।
শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের আজ দুপুর ১২টার তথ্য অনুযায়ী, নালিতাবাড়ীর চেল্লাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া ভোগাই নদের পানি নাকুগাঁও পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩২০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ২৯০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। আর পাহাড়ি ঢলে ঝিনাইগাতী মহারশি নদী ও সোমেশ্বরী নদী পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। এতে ঝিনাইগাতী উপজেলা সদর বাজার ও শেরপুর-ঝিনাইগাতী সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়।
তবে দুপুরের পর থেকে সড়ক থেকে পানি নেমে গেলেও বাজারের আশপাশের ঘরবাড়িতে ও রাস্তায় পানি প্রবেশ করেছে। এ ছাড়া মহারশি নদীর বিভিন্ন স্থানে পানি বাঁধ ছুঁইছুঁই অবস্থায় রয়েছে। এতে বড় প্লাবনের আশঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয়রা।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে নাকুগাঁও পয়েন্টে ১৮০ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৩৫ মিলিমিটার এবং শেরপুর পয়েন্টে ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
এ বিষয়ে শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, ‘বৃষ্টিপাত কমে গেলে ঢলের পানি নেমে যাবে। এখন পর্যন্ত বাঁধ ভাঙার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বিভিন্ন স্থানে নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই অবস্থায় রয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং কোনো সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।