মহামান্য হাইকোর্টের আপিল বিভাগের আদেশ অনুযায়ী চাকরিতে পুনর্বহালকৃত ৯৮৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর জ্যেষ্ঠতা (সিনিয়রিটি), পদোন্নতি এবং বকেয়া বেতন-ভাতা আদায়ের দাবিতে গাজীপুরে এক বিশাল অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি), বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুরস্থ ক্যাম্পাসের বটতলায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সমাবেশের বিবরণ ও উপস্থিতি 'চাকুরি সুরক্ষা কমিটি'র ব্যানারে আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কমিটির মহাসচিব তথা তথ্য পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মিয়া হোসেন রানা। মো. মিয়াজ উদ্দিনের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন নাজিম উদ্দীন আহমেদ (ভারপ্রাপ্ত কলেজ পরিদর্শক) তরিকুল ইসলাম, মাসুদ আলম, ওয়াহিদুজ্জামান নান্নু, মোহাম্মদ আলী, আব্দুল আজিজ, ফিরোজ আলম, মনির হোসেন চৌধুরী, আলমগীর হোসেন, রবিউল ইসলাম, নাছির আহম্মদ, সাইফুল ইসলাম, কামরুজ্জামান, আব্দুল জলিল, ইয়াকুব হোসেন, আব্দুল মতিন, আফজাল প্রমুখ।
এছাড়াও ৯৮৮ জন কর্মকর্তা- কর্মচারীর এই দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে উপস্থিত ছিলেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিম, প্রধান প্রকৌশলী মিজানুর রহমান, পরিচালক বিল্লাল হোসেন, আমিনুল আক্তার এবং রাজিউর রহমান রেজা।
আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবিগুলো বক্তারা প্রশাসনের কাছে তিনটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন। বকেয়া পরিশোধ, পুনর্বহালকৃত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর যাবতীয় বকেয়া বেতন ও ভাতাদি অনতিবিলম্বে পরিশোধ করতে হবে। পদোন্নতি ও জ্যেষ্ঠতা: আদালতের রায় অনুযায়ী সিনিয়রিটি বজায় রেখে অন্তত ০২টি পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে।
বদলি আদেশ প্রত্যাহার, শাস্তিমূলকভাবে বদলি করা ৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর আদেশ দ্রুত বাতিল করতে হবে।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, নতুন ও পুরাতনের ভেদাভেদ ভুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে সবাই একাত্ম হয়ে কাজ করতে চান। তবে তাদের নায্য পাওনা আদায়ে আর বিলম্ব সহ্য করা হবে না।
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বকেয়া বেতন-ভাতা ও পদোন্নতির বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হলে আরও কঠোর ও লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারী নেতারা।