প্রকাশ: রোববার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম
(ভিজিট : ৯)
গত সপ্তাহে এল ক্লাসিকোতে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হারের স্বাদ পেলেও ঘরের মাঠে দুর্দান্ত এক কামব্যাক উপহার দিল বার্সেলোনা। আলাভেসের বিপক্ষে ৬-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে লা লিগার পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছে কাতালান ক্লাবটি।
রিয়াল মাদ্রিদের কাছে সেই হারের সুবাদে বার্সার টানা নয় ম্যাচের দুর্দান্ত জয়রথ থমকে গেলেও, এই ম্যাচে দুর্দান্ত জয়ের ধারায় ফিরল হানসি ফ্লিকের দল।
ম্যাচটিতে বার্সেলোনার হয়ে জোড়া গোল করে আলো ছড়িয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ফরোয়ার্ড রাফিনিয়া এবং সদ্য ব্যালন ডি’অরের মঞ্চে বিশ্বের তৃতীয় সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হওয়া তরুণ লামিনে ইয়ামাল। এছাড়া একটি করে গোল আদায় করে নিয়েছেন মিডফিল্ডার ফার্মিন লোপেজ এবং বদলি হিসেবে মাঠে নামা অ্যান্থনি গর্ডন।
ম্যাচের শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের ওপর চড়াও হয়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বার্সা।
ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই মিডফিল্ডার ফার্মিন লোপেজের নিখুঁত পাস থেকে বল জালে জড়িয়ে দলকে কাঙ্ক্ষিত লিড এনে দেন রাফিনিয়া। এর ঠিক ১৫ মিনিট পর অর্থাৎ ২৩তম মিনিটে নিজে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফার্মিন লোপেজ। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে রাফিনিয়া নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোলটি করে স্কোরলাইন ৩-০ করেন। এরপর প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে দারুণ এক দলীয় প্রচেষ্টায় অসাধারণ হাফ-ভলিতে বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান ৪-০ করে ফেলেন লামিনে ইয়ামাল।
ম্যাচের দ্বিতীয় অর্ধেও বার্সেলোনার আক্রমণভাগের ধার একটুও কমেনি। ম্যাচের ৬৪ মিনিটে আলাভেস গোলকিপার এন্টোনিও সিভেরার মাথার ওপর দিয়ে দৃষ্টিনন্দন এক চিপ শটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের পঞ্চম গোলটি তুলে নেন লামিনে ইয়ামাল। এরপর ম্যাচের ৮১ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামা গর্ডন দলের হয়ে ষষ্ঠ গোলটি করেন। তবে ম্যাচের শেষ দিকে (৮৪ মিনিটে) রদ্রির একটি ভুল ব্যাক পাসের সুযোগ কাজে লাগিয়ে আলাভেসের হয়ে একমাত্র সান্ত্বনাসূচক গোলটি শোধ করেন মারিয়ানো ডিয়াজ।
এই দুর্দান্ত জয়ের সুবাদে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদকে পেছনে ফেলে দুই পয়েন্টের ব্যবধানে লা লিগার পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এল বার্সেলোনা।
অন্যদিকে রিয়াল মাদ্রিদ বার্সার চেয়ে চার পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে তাদের পরবর্তী ম্যাচ খেলবে। এই ম্যাচে জোড়া গোল করার সুবাদে চলতি লা লিগায় রাফিনিয়ার মোট গোলসংখ্যা গিয়ে ঠেকেছে ১৫টিতে, যা কিলিয়ান এমবাপ্পের চেয়ে চার গোল বেশি। অন্যদিকে ১০ গোল নিয়ে গোলদাতার তালিকার তিন নম্বরে অবস্থান করছেন তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামাল।