মঙ্গলবার ● ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ● ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
 
শিরোনাম:


ঋণের বোঝা বাড়ছেই
প্রকাশ: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৩ পিএম  (ভিজিট : ২২)
একজন মানুষ যখন আয়ের চেয়ে বেশি খরচ করেন, তখন একসময় তাঁকে ঋণ করতে হয়। ঋণ শোধের সামর্থ্য না বাড়লে সেই ঋণই তাঁর জীবনের বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। একটি রাষ্ট্রের অর্থনীতির হিসাব অবশ্য ব্যক্তিগত সংসারের মতো সরল নয়। রাষ্ট্র ঋণ নিয়ে সেতু নির্মাণ করতে পারে, বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে পারে, শিল্প স্থাপন করতে পারে, মানুষের দক্ষতা উন্নয়ন করতে পারে। এসব বিনিয়োগ ভবিষ্যতে আয় ও উৎপাদন বাড়িয়ে ঋণ পরিশোধের সক্ষমতাও তৈরি করতে পারে। কিন্তু রাষ্ট্রের ঋণ যদি ক্রমাগত বাড়ে, আর সেই ঋণের বিপরীতে রাজস্ব আয়, উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের সক্ষমতা সমান তালে না বাড়ে, তখন প্রশ্ন উঠবেই, এই অর্থনৈতিক পথের শেষ কোথায়? সরকার ব্যাংকব্যবস্থা থেকে আরও ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে, এমন খবর আমাদের সেই প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়। বিষয়টি শুধু কত হাজার কোটি টাকা ধার করা হচ্ছে, তার হিসাব নয়। আসল প্রশ্ন হলো, রাষ্ট্রের নিজের আয় বাড়ছে না কেন, ঋণের প্রয়োজন বারবার তৈরি হচ্ছে কেন, আর এই ঋণের আর্থিক দায় শেষ পর্যন্ত বহন করবে কারা? রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে যদি এই প্রশ্নগুলো না থাকে, তাহলে আজকের সাময়িক স্বস্তি আগামী দিনের দীর্ঘস্থায়ী চাপ হয়ে উঠতে পারে।

সরকারের ঋণ নেওয়াকে আমি নিজেই কোনো অপরাধ বা অর্থনৈতিক ব্যর্থতা মনে করি না। পৃথিবীর বহু দেশই উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় ঋণ নেয়। প্রশ্ন হচ্ছে, ঋণের উদ্দেশ্য কী, শর্ত কতটা গ্রহণযোগ্য, অর্থের ব্যবহার কতটা ফলপ্রসূ এবং তা পরিশোধের সক্ষমতা কতটা বাস্তবসম্মত। যে ঋণ একটি বন্ধ কারখানা চালু করে, হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে কিংবা কৃষিপণ্যের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ সহজ করে, তার অর্থনৈতিক মূল্য আছে। বিপরীতে, যে ঋণের অর্থ ব্যয়ের পরও উৎপাদন বাড়ে না, রাজস্ব আয় বাড়ে না, মানুষের জীবনযাত্রায় দৃশ্যমান উন্নতি আসে না, সেই ঋণের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা জরুরি। ঋণের অঙ্ক দেখে অর্থনীতির সাফল্য বা ব্যর্থতা নির্ধারণ করা যায় না। দেখতে হবে, ঋণ নেওয়ার ফলে দেশ কতটা সক্ষম হলো। একটি দেশের প্রকৃত আর্থিক শক্তি শুধু তার হাতে থাকা অর্থে নয়, সেই অর্থকে উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও জনকল্যাণে রূপান্তর করার ক্ষমতায়। তাই ঋণ নিয়ে আলোচনা করতে হলে আমাদের প্রথমেই জানতে হবে, এই অর্থ কোথায় যাচ্ছে এবং তার বিনিময়ে দেশ কী পাচ্ছে।

সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে তার প্রভাব কোথায় গিয়ে পড়তে পারে, সেটিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। ব্যাংক জনগণের আমানত সংগ্রহ করে এবং সেই অর্থের একটি বড় অংশ ঋণ ও বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতিতে ফিরিয়ে দেয়। সরকারকে ঋণ দেওয়া ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ। তবে ব্যাংক খাতে অর্থের জোগান সীমিত থাকলে এবং সরকারি ঋণের চাহিদা বেশি হলে বেসরকারি খাতের সঙ্গে অর্থায়নের প্রতিযোগিতা তৈরি হতে পারে। পরিস্থিতি ও বাজারের ওপর নির্ভর করে ব্যাংক তখন সরকারি সিকিউরিটিজে অর্থ বিনিয়োগকে তুলনামূলক আকর্ষণীয় মনে করতে পারে। এর ফলে কিছু উদ্যোক্তার ঋণ পাওয়া কঠিন হতে পারে, সুদের খরচ বাড়তে পারে কিংবা নতুন বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত পিছিয়ে যেতে পারে। অবশ্য সরকারি ঋণ বাড়লেই বেসরকারি ঋণ কমবে, এমন সিদ্ধান্ত দেওয়া ঠিক হবে না। ব্যাংকের তারল্য, আমানতের প্রবৃদ্ধি, ঋণের চাহিদা, নীতিসুদ এবং আর্থিক বাজারের অবস্থাও বিবেচনায় নিতে হবে। কিন্তু এই ঝুঁকি পরিমাপের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশ না করে শুধু ঋণ নেওয়ার অঙ্ক জানালে অর্থনীতির প্রকৃত চিত্র বোঝা কঠিন হবে। সরকার কত টাকা ঋণ নিচ্ছে, তার পাশাপাশি ব্যাংকগুলো উৎপাদনশীল খাতে কত ঋণ দিতে পারছে, সেটিও নিয়মিত আলোচনায় থাকা উচিত।

এই বিষয়টির সঙ্গে কর্মসংস্থানের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। দেশের একজন তরুণ চাকরি খুঁজছেন, একজন উদ্যোক্তা ব্যবসা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন, একজন শিল্পমালিক নতুন যন্ত্রপাতি কিনতে চাইছেন। তাঁদের প্রত্যেকেরই অর্থায়ন দরকার। ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়া কঠিন হলে কিংবা ঋণের খরচ বেড়ে গেলে অনেক উদ্যোগ শুরু হওয়ার আগেই থেমে যেতে পারে। কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান সম্প্রসারণের পরিকল্পনা বাতিল করলে সেখানে নতুন কর্মী নিয়োগও হয় না। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা অর্থের অভাবে ব্যবসা বাড়াতে না পারলে স্থানীয় পর্যায়ে আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হয়। তাই ব্যাংকের অর্থের ব্যবহার নিয়ে আলোচনাকে শুধু আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। এর সঙ্গে মানুষের কাজ পাওয়ার সুযোগ, ব্যবসার বিকাশ এবং পরিবারের আয়ের প্রশ্ন জড়িত। সরকার যদি ঋণ নিয়ে অর্থনীতিতে বিনিয়োগ করে, তবে সেই বিনিয়োগের সুফল বেসরকারি উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত না করে বরং সহায়তা করবে, এমন পরিকল্পনা থাকা দরকার। বিশেষ করে উৎপাদনশীল শিল্প, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, রপ্তানি বৈচিত্র্য, প্রযুক্তি এবং কর্মসংস্থানমুখী উদ্যোগে অর্থের প্রবাহ সচল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সরকারি ঋণের আরেকটি হিসাব সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে থেকে যায়। সেটি হলো সুদ ও ঋণ পরিশোধের দায়। আজ যে ঋণ নেওয়া হচ্ছে, তার সুদ পরিশোধ করতে হবে নির্ধারিত সময়ে। মূল অর্থও একসময় ফেরত দিতে হবে। সরকারের আয় যদি প্রত্যাশিত হারে না বাড়ে, তাহলে ভবিষ্যতের বাজেটে সুদ ও ঋণ পরিশোধের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ দিতে হতে পারে। তখন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, কৃষি কিংবা অবকাঠামোর মতো খাতে নতুন ব্যয়ের সুযোগ কতটা থাকবে, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। বাজেটে অর্থ বরাদ্দের ঘোষণা আর মানুষের কাছে কার্যকর সেবা পৌঁছানো এক বিষয় নয়। একটি হাসপাতালের জন্য অর্থ থাকলেও চিকিৎসক, যন্ত্রপাতি ও ওষুধের ব্যবস্থা না থাকলে মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা পায় না। একটি বিদ্যালয়ে বরাদ্দ থাকলেও শিক্ষার মান উন্নত না হলে সেই ব্যয় প্রত্যাশিত ফল দেয় না। একইভাবে উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ ব্যয় হলেই উন্নয়ন নিশ্চিত হয় না। প্রকল্পের গুণগত মান, সময়মতো বাস্তবায়ন এবং মানুষের জীবনে তার বাস্তব উপকার যাচাই করা জরুরি। ঋণের বোঝা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই যাচাই আরও কঠোর হওয়া উচিত।

ঋণের চাপের প্রভাব মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গেও সম্পর্কিত হতে পারে, যদিও সরকারি ঋণ বাড়লেই মূল্যস্ফীতি বাড়বে, এমন সরল সিদ্ধান্ত সঠিক নয়। বাজারে পণ্যের সরবরাহ, আমদানি ব্যয়, বিনিময় হার, উৎপাদন খরচ, মুদ্রানীতি এবং বাজার ব্যবস্থাপনা মূল্যস্ফীতিকে প্রভাবিত করে। তবে সরকারি অর্থায়ন, ব্যাংক খাতের তারল্য এবং অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহও সামগ্রিক পরিস্থিতির অংশ। আর মূল্যস্ফীতির অভিঘাত সবার ওপর সমানভাবে পড়ে না। উচ্চ আয়ের পরিবার বাড়তি খরচ কিছুটা সামলে নিতে পারে, কিন্তু সীমিত আয়ের পরিবারের জন্য চাল, ডাল, মাছ, সবজি, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও যাতায়াতের ব্যয় বেড়ে যাওয়া বড় সংকট তৈরি করে। একজন শ্রমজীবী মানুষের আয় যদি ব্যয়ের তুলনায় কম বাড়ে, তাহলে তাঁকে খাবারের মান কমাতে, চিকিৎসা পিছিয়ে দিতে কিংবা সন্তানের পড়াশোনার খরচ কমাতে হতে পারে। অর্থনৈতিক নীতি কতটা সফল, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি তাই সাধারণ মানুষ নিজের আয় দিয়ে কতটা সম্মানজনক জীবনযাপন করতে পারছেন। ঋণের হিসাবের সঙ্গে এই বাস্তবতার সংযোগ না ঘটালে অর্থনৈতিক আলোচনার মানবিক দিকটি আড়ালেই থেকে যাবে।

সরকারের উচিত ঋণের অর্থ কোথায় ব্যয় হচ্ছে, তার একটি স্পষ্ট ও সহজবোধ্য হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরা। কোন খাতে কত ঋণ নেওয়া হচ্ছে, ঋণের সুদ কত, পরিশোধের সময়সীমা কী, অর্থের বিপরীতে কী ধরনের ফল প্রত্যাশা করা হচ্ছে এবং সেই ফল কতটা অর্জিত হয়েছে, এসব তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করা দরকার। বড় প্রকল্পের ক্ষেত্রে শুধু ব্যয়ের পরিমাণ নয়, প্রকল্প শেষ হওয়ার পর তার অর্থনৈতিক সুফলও মূল্যায়ন করতে হবে। কোনো প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দীর্ঘায়িত হলে বা ব্যয় বেড়ে গেলে তার কারণ প্রকাশ করতে হবে। কোথাও অপচয় বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। জনগণের কর ও ঋণের অর্থে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। তাই সেই অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে জবাবদিহি কোনো অতিরিক্ত দাবি নয়, এটি রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক দায়িত্ব। ঋণ নেওয়ার সিদ্ধান্ত অর্থনৈতিকভাবে যুক্তিসংগত কি না, তা বিচার করার জন্য সংসদীয় আলোচনা, স্বাধীন পর্যালোচনা এবং নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যানের গুরুত্বও বাড়াতে হবে।

এখন প্রশ্ন, করণীয় কী? প্রথমত, সরকারের নিজস্ব রাজস্ব বাড়ানোর জন্য কার্যকর সংস্কার করতে হবে, যাতে কর ফাঁকি কমে এবং করের বোঝা ন্যায্যভাবে বণ্টিত হয়। দ্বিতীয়ত, সরকারি ব্যয়ের অগ্রাধিকার পুনর্বিবেচনা করতে হবে। যে ব্যয় উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও জনসেবায় বাস্তব ফল দেয়, তাকে গুরুত্ব দিতে হবে; অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও দীর্ঘসূত্রতা কমাতে হবে। তৃতীয়ত, সরকারি ঋণের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অর্থায়নের প্রবাহ পর্যবেক্ষণ করতে হবে, যাতে ব্যাংকঋণের অভাবে সম্ভাবনাময় উদ্যোগ থেমে না যায়। চতুর্থত, ঋণের মেয়াদ, সুদের ব্যয় ও ভবিষ্যৎ পরিশোধের পরিকল্পনা এমনভাবে করতে হবে, যাতে হঠাৎ আর্থিক চাপ তৈরি না হয়। পঞ্চমত, ঋণনির্ভর উন্নয়ন প্রকল্পের ফলাফল নিয়মিত মূল্যায়ন করে জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে। এসব পদক্ষেপ এক দিনে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, কিন্তু পরিকল্পিতভাবে এগোলে রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং ঋণের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

বাংলাদেশের সামনে এখন এমন একটি অর্থনৈতিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার চ্যালেঞ্জ রয়েছে, যেখানে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যয় চালিয়ে যেতে পারবে, আবার ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতাও তৈরি হবে না। এর জন্য ঋণ নেওয়া বন্ধ করার স্লোগান যথেষ্ট নয়, যেমন ঋণ নেওয়াকে স্বাভাবিক বলে সব প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়াও সমাধান নয়। প্রয়োজন তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত, রাজস্ব সংস্কার, ব্যয়ের জবাবদিহি এবং উৎপাদনশীল বিনিয়োগের ধারাবাহিকতা। রাষ্ট্রের ঋণ শেষ পর্যন্ত জনগণের জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে তরুণের চাকরি, উদ্যোক্তার উদ্যোগ, পরিবারের মাসিক ব্যয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যাওয়া অর্থনৈতিক পরিবেশ। সরকার আজ যে সিদ্ধান্ত নেবে, তার সুফল কিংবা খরচ আগামী দিনেও বহন করতে হবে। তাই প্রতিটি নতুন ঋণের আগে প্রশ্ন হওয়া উচিত, এই অর্থ দেশের দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা কতটা বাড়াবে? ঋণ যদি ভবিষ্যৎ আয়ের পথ তৈরি করে, তা অর্থনীতির শক্তি হতে পারে। আর যদি শুধু আজকের ঘাটতি ঢেকে আগামী দিনের দায় বাড়ায়, তবে সেই পথ পুনর্বিবেচনা করা জরুরি। রাষ্ট্রের লক্ষ্য শুধু অর্থ জোগাড় করা নয়; এমন অর্থনীতি গড়ে তোলা, যেখানে দেশের মানুষ কাজ পাবেন, উদ্যোক্তারা বিনিয়োগের সুযোগ পাবেন এবং জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণেই কাজে লাগবে। ঋণ নেওয়ার সিদ্ধান্তের সার্থকতা শেষ পর্যন্ত এই জবাবের ওপরই নির্ভর করবে।


লেখক: মীর আব্দুল আলীম, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের উপদেষ্টা: সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি।








আরও খবর


Loading...
Loading...
প্রকাশক: এম এন এইচ বুলু
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মাহফুজুর রহমান রিমন  |   উপদেষ্টা সম্পাদক : রাজু আলীম  
বিএনএস সংবাদ প্রতিদিন লি. এর পক্ষে প্রকাশক এম এন এইচ বুলু কর্তৃক ৪০ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বুলু ওশেন টাওয়ার, (২১ তলা), বনানী, ঢাকা ১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
ফোন:০২৯৮২০০১৯-২০ ফ্যাক্স: ০২-৯৮২০০১৬ ই-মেইল: [email protected]