মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
 
শিরোনাম:


দেড় বছরে হামজা চৌধুরীর ৫ হাজার জার্সি বিক্রি
প্রকাশ: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫৫ পিএম  (ভিজিট : ১২)
তারকাদের জনপ্রিয়তার বড় মাপকাঠি জার্সি বিক্রির পরিসংখ্যান। লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোদের জার্সির তুমুল চাহিদা সেই বাস্তবতারই প্রমাণ।
 
বাংলাদেশেও কি তাহলে তৈরি হচ্ছে তেমন কোনো উন্মাদনা? উত্তরটা মিলেছে জাতীয় দলের জার্সি বিক্রির পরিসংখ্যানে। ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপের ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডে খেলা হামজা চৌধুরী বাংলাদেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামার পর বদলে গেছে সেই চিত্র।

হামজার আগমনে বাংলাদেশের ফুটবলে যেমন নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে, তেমনি জাতীয় দলের জার্সির প্রতিও বেড়েছে সমর্থকদের আকর্ষণ। ফুটবলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে হামজা চৌধুরীর জার্সি। গত দেড় বছরে সংখ্যাটা প্রায় ৫ হাজার।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে কিট স্পন্সর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হয় দৌড়। শুরুতে জাতীয় দলের জার্সি বিক্রিতে সাড়া ছিল তুলনামূলক কম। কিন্তু হামজা চৌধুরী বাংলাদেশে আসার পর রাতারাতি পাল্টে যায় দৃশ্যপট। জাতীয় দলের জার্সি নিয়ে সমর্থকদের আগ্রহ বাড়তে থাকে, বাড়ে বিক্রিও।

দৌড়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে তারা প্রায় ৩৫ হাজার জার্সি বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশের বেশি ছিল খেলোয়াড়ের নাম ও নম্বর সংবলিত জার্সি। সেই তালিকায় সবার ওপরে হামজা।

১ হাজার ৪০০ টাকা দামের অফিশিয়াল জার্সিতে হামজার নাম-নম্বর বসিয়ে নিয়েছেন হাজার হাজার সমর্থক।

তার পরের অবস্থানে আছে অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ও প্রবাসী মিডফিল্ডার শমিত সোমের জার্সি।
হামজাকে ঘিরে এই উন্মাদনার চিত্র তুলে ধরে দৌড়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আবিদ আলম চৌধুরী একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘গত দেড় বছরে হামজার জার্সির চাহিদা বেশি ছিল। আমরা ৫ হাজারের মতো হামজার জার্সি বিক্রি করেছি। আসলে হামজা আসার পর থেকেই বাংলাদেশের ফুটবলে নতুন করে হাওয়া লেগেছে।’

হামজার জার্সির এমন চাহিদার মধ্যেই নতুন করে জাতীয় দলের জার্সি উন্মোচন করেছে দৌড়। নতুন জার্সি নিয়েও সমর্থকদের আগ্রহ বেশ ভালো। এরই মধ্যে এক হাজারের বেশি অর্ডার পড়েছে।

অর্থাৎ হামজাকে ঘিরে তৈরি হওয়া উন্মাদনা শুধু একজন খেলোয়াড়ের জার্সিতেই আটকে নেই, জাতীয় দলের জার্সির প্রতিও সমর্থকদের আগ্রহ বেড়েছে।

নভেম্বরে ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ঘিরে সেই আগ্রহ আরো বাড়বে বলে প্রত্যাশা আবিদ আলমের, ‘সামনে দেশে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আছে। আশা করছি তার আগেই উন্মাদনা শুরু হয়ে যাবে। সব মিলিয়ে এক বছরে আমরা এক লাখ জার্সি বিক্রি করতে চাই।’

জাতীয় দলের নতুন জার্সি তৈরির পেছনেও রয়েছে সমর্থকদের অংশগ্রহণ। আবিদ আলম জানান, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছ থেকে তারা প্রায় ১ হাজার ৩০০টি ডিজাইন পেয়েছিলেন। সেখান থেকে ৩৪টি উপাদান বাছাই করে তৈরি করা হয়েছে নতুন জার্সি।

হোম জার্সির মূল থিমে রাখা হয়েছে মাতৃভাষা বাংলা। বিশেষ প্রযুক্তি ও ডিজাইনে তৈরি এই জার্সির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, মাত্র ৮ মিনিটে ঘাম শুকিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা।

খেলোয়াড়দের পরার জার্সির দাম ধরা হয়েছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। আর সমর্থকদের জন্য তৈরি জার্সির মূল্য ৭০০ টাকা।








আরও খবর


Loading...
Loading...
প্রকাশক: এম এন এইচ বুলু
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মাহফুজুর রহমান রিমন  |   উপদেষ্টা সম্পাদক : রাজু আলীম  
বিএনএস সংবাদ প্রতিদিন লি. এর পক্ষে প্রকাশক এম এন এইচ বুলু কর্তৃক ৪০ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বুলু ওশেন টাওয়ার, (২১ তলা), বনানী, ঢাকা ১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
ফোন:০২৯৮২০০১৯-২০ ফ্যাক্স: ০২-৯৮২০০১৬ ই-মেইল: [email protected]