প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৮ এএম
(ভিজিট : ১৪)
চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে এক বাসায় পুলিশ ও সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদা আদায়ের চেষ্টাকালে জনতার হাতে ধরা পড়েছে দুই প্রতারক। বাকি তিনজন সহযোগী কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) আটক দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গত মঙ্গলবার হালিশহরের শান্তিবাগ এলাকার শ্যামলী আবাসিকের আলী বশর ভবনের একটি ভাড়া বাসায় পাঁচজনের একটি দল প্রবেশ করে নিজেদের পুলিশ ও সাংবাদিক পরিচয় দেয়। বাসায় থাকা গৃহবধূ ও তার শাশুড়িকে তারা জানায়, এই বাসায় অবৈধ কার্যকলাপ চলছে এবং থানায় নিয়ে যাওয়া এড়াতে হলে তাদের ১ লাখ টাকা দিতে হবে।
হুমকির মুখে পড়ে ৫৫ বছর বয়সী আনোয়ারা বেগম তাৎক্ষণিক তার ছেলেকে ফোন করে পুরো ঘটনা জানান। খবর পেয়ে ছেলে আশেপাশের লোকজন নিয়ে দ্রুত বাসায় ছুটে আসেন। উপস্থিত জনতা তখন ওই পাঁচজনের পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তারা নিজেদের পুলিশ ও সাংবাদিক বলে দাবি করে। সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয়রা সরাসরি হালিশহর থানায় ফোন করে সত্যতা যাচাই করতে গেলেই আসল ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়—আর তখনই তিনজন সুযোগ বুঝে পালিয়ে যায়, বাকি দুজনকে ধরে ফেলে জনতা।
আটক দুজন হলেন মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থানার মোনাইরকান্দি গ্রামের বাসিন্দা সাখাওয়াত হোসেন (৪৩) এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার কতুবপুর গ্রামের মো. মাইন উদ্দিন (৪৬)। পালিয়ে যাওয়া বাকি তিনজন হলেন মো. জাহিদ, মো. মুস্তাফিজ ও বাবুল।
হালিশহর থানার এসআই মোশারফ হোসেন আদিব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, জনতার হাতে আটক দুই ব্যক্তিকে থানায় হস্তান্তরের পর বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক তিনজনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানা গেছে।