প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:২০ পিএম
(ভিজিট : ১২)
প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টানার আকালের মুখে সিনেমার রুপালি পর্দায় নতুন এক বিপ্লব নিয়ে এলো সনি ও মার্ভেল স্টুডিওর যৌথ চমক ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। রুপালি পর্দায় আসার মাত্র সাত দিনের মাথায় বক্স অফিসে আয়ের তুঙ্গস্পর্শী ঝড় তুলে সিনেমাটি ঘরে তুলেছে অবিশ্বাস্য ১.১৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৪ হাজার ৯৫০ কোটি । অভূতপূর্ব এই বাণিজ্যিক সাফল্যের মাধ্যমে এটি এখন চলতি ২০২৬ সালের বিশ্বব্যাপী সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমার বিশ্বরেকর্ড নিজেদের করে নিয়েছে।
বিশাল এই অর্জনের মাধ্যমে বিশ্ব প্রেক্ষাগৃহে গত জুন থেকে রাজত্ব করা ডিজনির জনপ্রিয় অ্যানিমেশন ছবি ‘টয় স্টোরি ৫’-এর (১.০৬৭ বিলিয়ন ডলার) আয় পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করেছে টম হল্যান্ড ও জেনডায়া জুটির এই সিনেমা।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সূত্র মতে, টিকিট বিক্রির মাধ্যমে চলচ্চিত্রটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে ইতোমধ্যে ৪৪৯ মিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বের অন্যান্য প্রান্ত থেকে ৭০৬.৩ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। মুক্তির পর থেকেই প্রতিদিন আয়ের আগের সব ইতিহাস চুরমার করছে এই মার্ভেল প্রজেক্টটি।
উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে কেবল মঙ্গলবারেই ৪২ মিলিয়ন ডলার আয় করে ২০২১ সালের পূর্বসূরি ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’-এর ৩৯ মিলিয়ন ডলারের মঙ্গলবারের সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড ভেঙে দেয় ছবিটি। একইভাবে এর আগের দিন সোমবারে ৪৭ মিলিয়ন ডলার বিকিকিনি করে ২০১৮ সালের সাড়া জাগানো ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’-এর ৪০ মিলিয়ন ডলারের মাইলফলক টপকে যায় এটি।
রেকর্ড ভাঙার এই মিছিল এখানেই থেমে নেই। উত্তর আমেরিকার বাজারে মাত্র চার দিনেই ৪০০ মিলিয়ন ডলার আয়ের ঘর স্পর্শ করে সবচেয়ে দ্রুততম ছবির তকমা অর্জন করেছে স্পাইডি ফ্র্যাঞ্চাইজির এই কিস্তি। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে মাত্র ছয় দিনে ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন) ডলারের গণ্ডি পেরিয়ে ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম সিনেমার সম্মান অর্জন করল ছবিটি।
এই তালিকায় এর আগে রয়েছে কেবল ২০১৯ সালের মার্ভেল মাস্টারপিস ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’, যা মাত্র তিন দিনে ১.২ বিলিয়ন ডলার আয় করেছিল। তাছাড়া প্রথম সপ্তাহের শেষে মার্কিন বাজারে ৩৬০ মিলিয়ন এবং গ্লোবাল মার্কেটে ৯৩২ মিলিয়ন ডলার ঝুলিতে পুরে সর্বকালের দ্বিতীয় সেরা উদ্বোধনী আয়ের নজির গড়েছে ওয়েব-স্লিঙ্গার পিটার পারকার।