প্রকাশ: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:২৩ পিএম
(ভিজিট : ২৫)
ভারতের টলিউডের পরিচিত মুখ মধুমিতা সরকার। এবার ঢাকাই সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন তিনি। এক্সেল ফ্লিমস পরিবেশিত জাহাঙ্গীর সিকদার প্রযোজিত ও মোহাম্মদ ইকবালের পরিচালনায় নতুন সিনেমা ‘গুলশানের চামেলি’-তে কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে পশ্চিমবঙ্গের এই অভিনেত্রীকে।
‘বোঝে না সে বোঝে না’, ‘কেয়ার করি না’, ‘চিনি’মতো জনপ্রিয় কাজ দিয়ে দুই বাংলার দর্শকের কাছে পরিচিতি পেয়েছেন মধুমিতা। বাংলাদেশে মধুমিতার কাজের অভিজ্ঞতা অবশ্য একেবারে নতুন নয়। এর আগে ২০১৬ সালে ‘মেঘবালিকা’ নাটকে অভিনয় করেছিলেন তিনি। এবার প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হতে যাচ্ছে তার।
জানা গেছে, ‘গুলশানের চামেলি’র গল্প আবর্তিত হবে রাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অভিজাত সমাজের আড়ালে থাকা অন্ধকার জগতকে ঘিরে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন যৌনকর্মী। কোনো অপরাধ না করেও ক্ষমতা ও সমাজব্যবস্থার নির্মমতার শিকার হতে হয় তাকে। সেই নারীর জীবন ও সংগ্রামই সিনেমাটির মূল গল্প এগিয়ে যাবে। সিনেমাটিতে প্রচলিত অর্থে কোনো নায়ক থাকছেন না। পুরো গল্পের কেন্দ্রেই থাকবে একজন নারী। গল্পের একাধিক বাঁকে একই চরিত্রকে যেমন প্রধান চরিত্র হিসেবে দেখা যাবে, তেমনি তার মধ্যেই উঠে আসবে নেতিবাচক দিক। ফলে সিনেমাটিকে পুরোপুরি নারীকেন্দ্রিক গল্প হিসেবেই নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
মধুমিতার যুক্ত হওয়ার বিষয়ে নির্মাতা মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, ‘এ বিষয়ে এখন কোনো মন্তব্য করতে চাই না। সবকিছু কয়েক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।’ তবে এক সাক্ষাৎকারে মধুমিতা বলেন, ‘এই কাজটি নিয়ে দারুণ উত্তেজিত আমি। বহু বছর ধরে বিভিন্ন কাজের সূত্রে তার বাংলাদেশে যাওয়ার কথা থাকলেও কোনো না কোনো কারণে তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এবার সেই দীর্ঘদিনের ইচ্ছা পূরণ হতে চলেছে।’
অভিনেত্রী আরও জানান, কিছুদিন আগে তিনি সিনেমাটির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। গল্প ও চরিত্র সম্পর্কে জানার পরই এই কাজের প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয়। তিনি বলেন, গল্পটি খুবই চমৎকার এবং চরিত্রটি তার খুব পছন্দ হয়েছে। কলকাতায় নানা ধরনের কাজ করলেও এমন বহুমাত্রিক চরিত্রে তিনি আগে কখনো অভিনয় করেননি বলে জানান।
এক্সেল ফ্লিমসের প্রযোজক জাহাঙ্গীর সিকদার জানান, আগামী ১ আগস্ট ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘গুলশানের চামেলি’র মহরত অনুষ্ঠিত হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের ঈদে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।