প্রকাশ: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৮:৩৬ পিএম
(ভিজিট : ২১)
জীবিকার অন্বেষণে প্রায় তিন দশক আগে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার শাপলেজা ইউনিয়নের কচুবাড়িয়া গ্রাম ছেড়ে মালদ্বীপে পাড়ি জমান মো. নুরুজ্জামান। দীর্ঘ প্রবাসজীবনের সেই অভিযাত্রা শেষ পর্যন্ত রচনা করেছে দুই দেশের সংস্কৃতি, পারিবারিক ঐতিহ্য ও আত্মীয়তার এক অনন্য সেতুবন্ধন।
২০০৩ সালে তিনি মালদ্বীপের নাগরিক আজিজ আব্দুল্লাহর সঙ্গে বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের একমাত্র কন্যা আয়েশাত নূরানুরের জন্ম ও বেড়ে ওঠা মালদ্বীপেই। শিক্ষা ও কর্মজীবনের ধারাবাহিকতায় নূরানুরের পরিচয় হয় মালদ্বীপের সিভিল এভিয়েশনের কর্মকর্তা মায়জু নিজামের সঙ্গে।
পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, মূল্যবোধ ও সুদৃঢ় বোঝাপড়ার ভিত্তিতে দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের সম্পর্ক পরিণতি লাভ করে বৈবাহিক বন্ধনে। বাংলাদেশি উত্তরাধিকার ও মালদ্বীপীয় ঐতিহ্যের এই সংযোগ কেবল দুটি পরিবারের আত্মীয়তার বন্ধনই নয়, বরং দুই দেশের সামাজিক-সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় মানবিক সম্পর্কেরও এক তাৎপর্যপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবে প্রতিভাত হয়েছে।
স্বজনদের প্রত্যাশা, পারস্পরিক আস্থা, সহমর্মিতা ও পারিবারিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে নবদম্পতির দাম্পত্য জীবন সুখ, সমৃদ্ধি ও কল্যাণে পরিপূর্ণ হবে। একই সঙ্গে এই আত্মীয়তার বন্ধন বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের জনগণের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সম্পর্ককে আরও সুসংহত করবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।