প্রকাশ: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ১০:১১ পিএম
(ভিজিট : ৭৭)
মেহেরপুরের গাংনীর সাাহারবাটীতে পুর্ব শত্রুতার জেরে ইউপি সদস্যের পিতা আনসারুল ইসলাম ( ৬৫) ও তার স্ত্রী শাহানারা বেগম কে পিটিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষ দবীর হোসেন ও তার লোকজন। আজ সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত আনসারুল ইসলামকে প্রথমে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কুস্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। তবে আনসারুল ইসলামের অবস্তা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন কতর্ব্যরত চিকিৎসক। আহত শাহানারা বেগমকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এদিকে হামলাকারী দবীর হোসেন ও তার দুই ভাই খালেক ও আব্দুল মালেক আহত হয়েছেন বলে দাবী করেছেন। তারাও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
আহত আনসারুল ইসলামের ছেলে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্বাস আলী জানান, ৫ আগস্টের পর মোটা অংকের টাকা চাঁদা দাবী করে বিএনপির স্থানীয় কর্মী দবীব ও তার লোকজন। এর আগেও আমি গোপনে কিছু টাকা তাকে দিয়েছি। পরে আবারও টাকা চাইলে আমি দিতে রাজি না হওয়ায় সকালে দবীর ও তার দুই ভাই আমার বাবা ও মাকে লোহার রড দিয়ে মারধর করে। আমার বৃদ্ধ বাবা ও মাকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়ে। বাবার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় চিকিৎসক তাকে কুস্টিয়ার জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
এবিষয়ে দবীর উদ্দীন জানান, আওয়ামীলীগ সরকারের সময় আমার ওপর চরম অত্যাচার করে আব্বাস মেম্বার ও তার বাবা। জোর করে আমার গোয়াল থেকে গরু ছাগল নিয়ে যায় তারা। মাঠের আবাদ ঘরে তুলতে দেয়নি আব্বাস মেম্বার ও তার লোকজন। তাই মাইরের বদলে মার দেয়া হয়েছে। এসময় তার দুই ভাই আব্দুল খালেক ও মালেক আহত হয়েছে বলে দাবী করেন তিনি।
সাবেক ইউপি সদস্য ফরমান আলী বলেন, এ হামলা খুবই ন্যাক্কার জনক। একজন বৃদ্ধ মানুষের ওপর হামলা করা উচিৎ হয়নি। এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দ্বন্দে তাকে হামলা করা হয়নি। এটি পারিবারিক দ্বন্দ্ব। দবীর বিভিন্ন মানুষের ওপর একের পর এক হামলা ও জোর জুলুল চালিয়ে আসছে। গাংনী থানার অফিসার ইন্চার্জ ( ওসি) উত্তম কুমার বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে ইউপি সদস্য আব্বাস আলী লিখিত অভিযোগ করেছেন। তদন্তপুর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।