দক্ষিণ কোরিয়ার আনসান সিটির আনসান মসজিদ অ্যান্ড ইসলামিক কালচারাল সেন্টারে ৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছে ইপিএস বাংলা কমিউনিটির বার্ষিক আয়োজন নবম আন্তর্জাতিক কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা।
এবারের প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ডে বাংলাদেশসহ ইন্দোনেশিয়া, আফ্রিকা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট ৫০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতাটি চারটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়— হাফেজ ক্যাটাগরি, সাধারণ ক্যাটাগরি, শিশু ক্যাটাগরি এবং ইসলামী সংগীত (নাশিদ) ক্যাটাগরি।
কোরআন তেলাওয়াত (হাফেজ ক্যাটাগরি)
প্রথম স্থান: আফফান
দ্বিতীয় স্থান: আব্দুর রহমান
তৃতীয় স্থান: শহিদুল ইসলাম
কোরআন তেলাওয়াত (সাধারণ ক্যাটাগরি)
প্রথম স্থান: মোহাম্মদ মেহেদী হাসান
দ্বিতীয় স্থান: চান্দ্রা (ইন্দোনেশিয়া)
তৃতীয় স্থান: সুজন আলী
শিশুদের কোরআন তেলাওয়াত বিভাগ
প্রথম স্থান: আফরা
দ্বিতীয় স্থান: জুনায়েদ
তৃতীয় স্থান: রাফসান মাহমুদ তাকবির, ও হুমাইরা
ইসলামী সংগীত (হামদ ও নাত) বিভাগ
প্রথম স্থান: হাসান মজুমদার
দ্বিতীয় স্থান: মোস্তাফিজুর রহমান
তৃতীয় স্থান: মাহাদী হাসান
অনুষ্ঠানের বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
১. সাইয়েদ আল আমিন আজহারী (ইমাম ও খতিব, ইজেন বাইতুল আমান মসজিদ)
২. উস্তাদ ইরফান উদ্দিন (হাফেজ ও ইমাম, আনসান মসজিদ অ্যান্ড ইসলামিক সেন্টার)
৩. হাফেজ সাঈদ আব্দুল গনি আল-আজহারী (ইমাম, মিসর)
৪. মুফতি ফয়জুল আমান (ইমাম ও খতিব, আনসান মসজিদ অ্যান্ড ইসলামিক সেন্টার)
এছাড়াও অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন HRD কোরিয়ার সাবেক জেনারেল ম্যানেজার শামসুল আলম, SN Food-এর কর্ণধার এম. আই. ছোটন, Hanpass Remittance-এর রিজিওনাল হেড আরিফিন মুন, কান্ট্রি ম্যানেজার নাজিয়া ইসলাম অর্দী, E9 Travels-এর স্বত্বাধিকারী মাসুদ মিয়া, সামাজিক সংগঠন ইসোর সভাপতি আল আমিন, কোরিয়া মুসলিম কমিউনিটির জয়েন্ট সেক্রেটারি জাহাঙ্গীর আলম, Supreme Travel-এর সিইও শাখাওয়াত, Ora Mobile-এর সিইও রাতুল হাসান এবং সিলেট কমিউনিটি ইন কোরিয়ার উপদেষ্টা মীর সজলসহ প্রায় ৫০০ জনের বেশি বাংলাদেশি ও বিভিন্ন দেশের নাগরিক।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কমিউনিটির সেক্রেটারি ইসমাইল হক এবং সভাপতিত্ব করেন ইপিএস বাংলা কমিউনিটির সভাপতি রাজু খান।
সভাপতির বক্তব্যে রাজু খান বলেন, “আজকের এই অনুষ্ঠান সফল করতে যারা স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেছেন, ও বিদেশি প্রতিযোগী, বিচারকমণ্ডলী এবং বিভিন্ন দেশের নাগরিক যারা উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠান উপভোগ করেছেন— তাদের প্রতি আমরা আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আমরা আশা করি ভবিষ্যতেও আপনাদের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় এই আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা প্রতি বছর সফলভাবে আয়োজন করা সম্ভব হবে।”
ধর্মীয় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতা প্রবাসী মুসলিমদের উপর এবং কোরিয়াতে দিন প্রচারে ব্যাপক অবদান রাখবে।