প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩৫ পিএম (ভিজিট : ১১৪)
কচুয়া উপজেলার সম্পত্তি বিরোধ নিষ্পত্তিকে কেন্দ্র করে সালিশী বোর্ডের সদস্য ও স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক’ আখ্যা দিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার ৬নং কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের উজানী বাজারে স্থানীয় যুবদল ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, উজানী গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ–এর এক নেতার পিতা সামছুল আলমের সঙ্গে একই এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের সম্পত্তিগত বিরোধ চলছিল। বিষয়টি একাধিকবার গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয় এবং রেকর্ডভুক্ত সম্পত্তি জাহাঙ্গীর আলমকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
অভিযোগ করা হয়, দখল বুঝিয়ে দেওয়ার কয়েক মাস পর সামছুল আলম সালিশের রায় অমান্য করে পুনরায় জমি দখলের চেষ্টা করেন এবং জাহাঙ্গীর আলমকে মারধর করেন। এ ঘটনায় সালিশগণ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মামলায় উপজেলা যুবদলের সদস্য মোশারফ হোসেন ইমন, ইউনিয়ন যুবদলের নেতা শরীফ হোসেন, ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন ও যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেনসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে বলে মানববন্ধনে জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, সম্পত্তি বিরোধ মীমাংসা করাই ছিল তাদের ‘অপরাধ’। তারা অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং অন্যথায় বৃহত্তর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
এসময় ভুক্তভোগী আছমা আক্তার অভিযোগ করেন, সামছুল আলম তার নিকট আত্মীয় হওয়া সত্ত্বেও জমি বিক্রির নামে চার লাখ টাকা নিলেও এখনো রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করেননি। বরং রেজিস্ট্রির কথা বলায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানান।
মানববন্ধন শেষে একটি সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ মিছিল উজানী বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়। এ বিষয়ে বাদী পক্ষে সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাদের বাড়ীতে পাওয়া যায় নাই।