প্রকাশ: রোববার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৬ পিএম
(ভিজিট : ৮)

সংগৃহীত ছবি
এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও অন্যান্য সরকারি কর্মচারীর মতো একই হারে নতুন পে স্কেল পেতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কিছু সীমাবদ্ধতা দূর করে সবাইকে একই পে স্কেলের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁরা নতুন পে স্কেল পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রোববার (৮ নভেম্বর) বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, চলতি বছর শিক্ষা খাতে সর্বাধিক বাজেট বরাদ্দ পাওয়া গেছে। নতুন পে স্কেলও দেওয়া হয়েছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে যে কিছুটা সীমাবদ্ধতা ছিল, তা দূর করে সবাইকে একই পে স্কেলের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
ভবিষ্যতের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রতিনিয়ত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষা ও গবেষণার মান বাড়ানোর বিকল্প নেই।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যালিফোর্নিয়ার সংশ্লিষ্ট গবেষকদের প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশ থেকে ৩৪৭ জন স্থান পেয়েছেন। এসব বিজ্ঞানীকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, যাঁদের লেখা, গবেষণা ও গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রকাশিত হয়েছে, তাঁদের নিয়ে কাজ করতে চায় সরকার। তবে গবেষণার ক্ষেত্রে মৌলিকত্ব ও নৈতিকতা বজায় রাখতে হবে। কোনো ধরনের চৌর্যবৃত্তি বা গবেষণায় অনিয়ম গ্রহণযোগ্য নয়। একটি বিশেষ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে এ ধরনের অনিয়মের অভিযোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি, তবে বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম প্রকাশ করেননি।
শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের গবেষণায় যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ড. মিলন বলেন, শিক্ষকতা করার পাশাপাশি তাঁদের গবেষণার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে এবং ভবিষ্যতে পিএইচডি ডিগ্রি নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহী হতে হবে। তবে কর্মজীবনের শুরুতেই নয়; প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর অধ্যাপক পর্যায়ে পৌঁছে ধারাবাহিকভাবে এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, কর্মকর্তাদের জন্য এ ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহারেও সতর্ক থাকতে হবে। এআইকে কোনোভাবেই অপব্যবহার করা যাবে না।