রবিবার ● ৮ নভেম্বর ২০২৬ ● ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
 
শিরোনাম:


কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত
প্রকাশ: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২৮ পিএম  (ভিজিট : ২২)
কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, স্মারক আলোচনা সভা ও নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহঃ রাশেদুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোছাঃ নুর মহল আখতার বানু। তাঁদের যৌথ দিকনির্দেশনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে কর্মসূচিটি প্রাণবন্ত ও সাফল্যমণ্ডিত হয়ে ওঠে।

দিনের সূচনায় একাডেমিক ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল ১০টায় মাননীয় উপাচার্য ও মাননীয় উপ-উপাচার্যের নেতৃত্বে একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়, যা ক্যাম্পাসের প্রধান সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনে গিয়ে শেষ হয়।
পরবর্তী সময়ে একাডেমিক ভবনে জাতীয় বিপ্লব ও সংগতি দিবস উপলক্ষে তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহঃ রাশেদুল ইসলাম র‍্যালি ও ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক পটভূমি স্মরণ করে বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহী জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল।

নেতৃত্বের শূন্যতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সে সময় দেশে এক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। জনগণের অধিকার, স্বাধীনতা ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের পাশাপাশি জনগণ ও সামরিক বাহিনীর মধ্যকার সম্পর্কেও অবনতি ঘটে। এমন প্রেক্ষাপটে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংঘটিত হয় ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। এদিন সাধারণ জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে তৎকালীন গৃহবন্দি জিয়াউর রহমান মুক্ত হন। পরবর্তীতে তিনি সামরিক বাহিনীকে সুসংগঠিত করার পাশাপাশি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এই দিবস আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জাতীয় সংহতির গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়। নতুন প্রজন্মের দায়িত্ব হলো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনাকে ধারণ করে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম, গণতান্ত্রিক ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অবদান রাখা।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিকশিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদের অন্যতম মূলভিত্তি ছিল জাতীয় ঐক্য, আত্মনির্ভরশীলতা ও দেশ গঠনে জনগণের অংশগ্রহণ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই দক্ষ মানবসম্পদ ও নীতিবান নাগরিক গড়ে তুলতে হবে।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোছাঃ নুর মহল আখতার বানু দিবসটির চেতনা ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন,জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের দেশপ্রেম, ঐক্য ও পরম সহিষ্ণুতার শিক্ষা দেয়। তিনি তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধ নিয়ে পড়ালেখায় মনোনিবেশ করে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভা শেষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। এরপর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সহ সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।








আরও খবর


Loading...
Loading...
প্রকাশক: মাহফুজুর রহমান রিমন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মাহফুজুর রহমান রিমন  |   উপদেষ্টা সম্পাদক : রাজু আলীম  
বিএনএস সংবাদ প্রতিদিন লি. এর পক্ষে প্রকাশক এম এন এইচ বুলু কর্তৃক ৪০ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বুলু ওশেন টাওয়ার, (২১ তলা), বনানী, ঢাকা ১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
ফোন:০২৯৮২০০১৯-২০ ফ্যাক্স: ০২-৯৮২০০১৬ ই-মেইল: [email protected]