প্রকাশ: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫১ পিএম
(ভিজিট : ২৯)
প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে এ সিদ্ধান্তের খবর পেয়ে ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রত্যাশীরা রাজধানীর নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১টায় পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা শুরু না হওয়ায় বিভিন্ন কেন্দ্রে অপেক্ষমাণ প্রার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। পরে পরীক্ষা স্থগিতের কথা জানানো হলে তাঁরা বিক্ষোভে নামেন।
রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসা এক চাকরিপ্রত্যাশী জানান, নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা শুরুর ১৫ মিনিট আগে প্রশ্নপত্র পাওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দেখা যায়নি। এদিকে পরীক্ষার সময় পার হতে থাকায় প্রার্থীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। সকাল ১১টায় পরীক্ষা শুরু না হলে তাঁরা কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন। কিছুক্ষণ পর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এসে পরীক্ষা হবে না বলে জানান।
আরেক চাকরিপ্রত্যাশী দাবি করেন, পরীক্ষা শুরুর আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সম্ভাব্য প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়েছিল। সেগুলো যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের প্রশ্ন বলে প্রচার করা হচ্ছিল। শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা স্থগিত করায় প্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।
ওই প্রার্থী বলেন, পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়ে আগের দিন কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে ঢাকার বাইরে থেকে আসা অনেক চাকরিপ্রত্যাশীকে যাতায়াত, থাকা ও অন্যান্য খাতে দুই থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটছে। এ ধরনের ঘটনার প্রতিকার চেয়েই তাঁরা আন্দোলনে নেমেছেন।
এ নিয়োগ পরীক্ষায় ২৪২টি পদের বিপরীতে সারা দেশ থেকে তিন লাখের বেশি প্রার্থীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষা আয়োজনের জন্য রাজধানীতে প্রায় ১০০টি কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় নিয়োগ কার্যক্রমের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন।