প্রকাশ: রোববার, ২১ জুন, ২০২৬, ১১:২৩ এএম
(ভিজিট : ১১)

টেলিভিশন পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ সুমাইয়া শিমু। ২৭ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে করেছেন অসংখ্য নাটক। বড় পর্দাতেও কাজ করেছেন, তবে খুবই স্বল্প পরিসরে। টেলিভিশন জগতে এতটাই ব্যস্ত ছিলেন, মূলধারার সিনেমায় কাজ করার সুযোগ হয়ে ওঠেনি তার।
এখন যদিও কোনো পর্দাতে সরব নন অভিনেত্রী; অভিনয় থেকে দূরে রয়েছেন দীর্ঘদিন ধরেই। কিন্তু তার জনপ্রিয়তা-ফেইম এখনও বিদ্যমান, দর্শকেরা ভোলেননি নন্দিত এই অভিনেত্রীকে। জানা গেছে, বর্তমানে তিনি নিজের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নারী কল্যাণে একজন উন্নয়নকর্মী হিসেবে কাজ করছেন সুমাইয়া শিমু। সম্প্রতি রুম্মান রশীদ খানের পডকাস্টে যোগ দিয়েছিলেন শিমু। সেখানে মাতৃত্বের যাত্রা, চ্যালেঞ্জ ও টুইন সন্তানের মা হওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন শিমু।
প্রথমবার মা হওয়ার অনুভূতি প্রসঙ্গে শিমু বলেন, মাতৃত্বের স্ট্রাগল কেমন, সেটা আমার কল্পনার বাইরে ছিল। যারা নতুন মা হন, তারা আমার কথার সঙ্গে রিলেট করতে পারবেন। বাচ্চা হওয়ার আগেও আমার খুব ভয় কাজ করত—কী হবে, না হবে। সারাক্ষণ একটা দুশ্চিন্তা ছিল।
টুইন সন্তান ধারণের কারণে চিকিৎসকদের বিশেষ সতর্কতার পরামর্শও পেয়েছিলেন তিনি। সে সময়ের মানসিক অবস্থার কথা স্মরণ করে অভিনেত্রী বলেন, সবাই বাচ্চা হওয়ার আগেই নাম ঠিক করে রাখে। কিন্তু আমি ভয়ে নামও ঠিক করিনি। ভাবতাম, আগে বেবি হোক, তারপর সব করব। তখন মনটা খুব নরম থাকে, অনেক ধরনের ভয় কাজ করে।
এমনকি সন্তানদের জন্মের পরও প্রায় তিন মাস তাদের নাম রাখেননি বলে জানান শিমু। তার ভাষায়, সবাই যেটা করে যে বেবি হওয়ার আগেই হয়তো নাম টাম সব কিছু ঠিক করে, আমি ভয়ে নামটাও ঠিক করিনি। আমি ভেবেছিলাম আগে বেবি হয়ে যাক, তারপর আরাম-আয়েশ করে নাম রাখব। কিন্তু বাচ্চা হওয়ার পর একটা মেয়ের জীবন যে এতটা পরিবর্তন হতে পারে, সেটা আমার ভাবনারও বাইরে ছিল।
প্রথমবার মা হওয়ার পাশাপাশি যমজ সন্তানের দায়িত্ব সামলানোও সহজ ছিল না বলে জানান তিনি। শিমু বলেন, যেহেতু টুইন বেবি, তাই স্ট্রাগলটা অনেক বেশি ছিল। প্রথম তিন-চার মাস কোনো বাচ্চাই ঠিকমতো ঘুমায় না। একটা বেবিকে অনেক কষ্ট করে ঘুম পাড়িয়ে শুইয়ে দিয়েছি, তারপর আরেকজনের কাছে গেছি। তখন আবার প্রথমজন কান্না শুরু করেছে। এভাবেই চলত।