ঢাকার রূপগঞ্জে কিশোরগঞ্জের ১৩টি উপজেলার মানুষের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে কিশোরগঞ্জ সোসাইটি, ঢাকা। প্রায় ২৫০ কাঠা জমির ওপর প্রস্তাবিত এ প্রকল্পের অগ্রগতি, পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে কিশোরগঞ্জে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের ঈশাখাঁ রোডের রথখলা এলাকার সাফরন ডিলাইটে এ সভার আয়োজন করা হয়।
বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী মো. মোবারেকুল আলম রঞ্জুর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী ব্যাংকার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান, বিশিষ্ট সমাজসেবক মাসুদুল হাসান, বড়বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিলু, পৌর মার্কেটের ব্যবসায়ী লুতফুর রহমান খোকন, আনিসুজ্জামান আনিস, কিশোরগঞ্জ সোসাইটি ঢাকার উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন নিটুল, সদস্য হাবিবুর রহমান হবি ও মাসুকুল আলম পিয়েলোসহ অন্যরা।
সভা সঞ্চালনা করেন কিশোরগঞ্জ সোসাইটি, ঢাকার সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান। এতে জেলার বিভিন্ন উপজেলার চিকিৎসক, ব্যাংকার, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, ঢাকার রূপগঞ্জের মুড়াপাড়ায় পূর্বাচল মেগা সিটির পাশে প্রায় ২৫০ কাঠা জমির ওপর গড়ে তোলা হচ্ছে কিশোরগঞ্জ সোসাইটি, ঢাকার আবাসন প্রকল্প। এতে জেলার ১৩টি উপজেলার মানুষের জন্য পৃথক আবাসনের ব্যবস্থা রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি উপজেলার জন্য ৩৬টি করে মোট ৪৬৮টি ফ্ল্যাট নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ১ হাজার ৭০০ বর্গফুট। প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে একটি গাড়ি পার্কিং এবং ২০০ বর্গফুটের একটি বাণিজ্যিক স্পেস বরাদ্দ দেওয়ার কথা রয়েছে।
এ ছাড়া প্রকল্পে শিশুদের খেলার মাঠ, সুইমিংপুল, জিমনেসিয়াম, লেক, সবুজায়ন, লাইব্রেরি, সুপারশপ, রেস্টুরেন্ট, কনভেনশন হল, ডে-কেয়ার সেন্টার, চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র ও ধর্মীয় উপাসনালয়সহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
আয়োজকরা জানান, প্রকল্পের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত এ মূল্য কার্যকর থাকবে। আগ্রহীদের জন্য এককালীন অর্থ পরিশোধের পাশাপাশি কিস্তিতে মূল্য পরিশোধের সুযোগ রাখা হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পের শেয়ার বুকিং কার্যক্রম চলছে।
তারা আরও জানান, কিশোরগঞ্জের ১৩টি উপজেলার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন জোরদার করার পাশাপাশি আধুনিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি পরিকল্পিত আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।