প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
(ভিজিট : ২১)
ভারতের দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাংকার বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশের মামলাটি আরো তদন্তের জন্য অপরাধ শাখার আন্তরাজ্য বিভাগে পাঠিয়েছে পুলিশ। তাদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতের মেয়াদ আরো দুই দিন বাড়ানোর কিছুক্ষণ পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কনট প্লেস থানায় দায়ের করা একটি এজাহারে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) তিনটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগগুলো হলো সরকারি কর্মকর্তার বৈধ আদেশ অমান্য করা, অপরাধের উদ্দেশ্যে কারো বাড়ি বা ঘরে অনধিকার প্রবেশ এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র।
পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় দায়ের করা আরেকটি এজাহারে সরকারি কর্মকর্তাদের কাজে বাধা দেওয়া, ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে আঘাত করা, সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলা, তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা দিতে আঘাত করা এবং একই উদ্দেশ্যে একসঙ্গে কাজ করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত ১৪ অক্টোবর দাস ও রাংকাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়।
অভিযোগ, তারা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভেতর দিয়ে অনধিকার প্রবেশ করে জন্তর মন্তরে পৌঁছান। এর এক দিন আগে বিক্ষোভের স্থান হিসেবে জন্তর মন্তরের সরকারি স্বীকৃতি বাতিল করা হয়েছিল। এ ছাড়া শান্তি বজায় রাখার অঙ্গীকার ভঙ্গের অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
সোমবার মন্দির মার্গ থানার একজন বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতের মেয়াদ আরো দুই দিন বাড়ান।
তাদের সহযোগী অজিঙ্ক্য শিন্দেকে ব্যক্তিগত মুচলেকা ও পাঁচ হাজার রুপির জামিনদারের নিশ্চয়তার ভিত্তিতে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তবে আগামী ছয় মাস শান্তি বজায় রাখা ও ভালো আচরণ করার শর্তে তাকে মুচলেকা দিতে হয়েছে।
গত ১৩ অক্টোবর দাস, রাংকা, শিন্দে ও সিজেপির অন্য সদস্যদের আটক করা হয়। অভিযোগ, তারা জন্তর মন্তরে প্রবেশ করে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
দিল্লি পুলিশের ভাষ্য, বিক্ষোভকারীরা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভেতর দিয়ে জন্তর মন্তরে প্রবেশ করেন।
ওই এলাকায় বিক্ষোভের সরকারি অনুমতি ছিল না। এ সময় তারা পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেন বলে অভিযোগ করেছে পুলিশ।