প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২১ পিএম
(ভিজিট : ১১)
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিত দীপকে মোদি সরকারের ব্যাপক সমালোচনা করে একটি ‘স্বৈরাচারী’ সরকার হিসেবে অভিহিত করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার দিল্লি প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেন তিনি।
অভিজিত বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি একজন স্বৈরাচারীতে পরিণত হয়েছেন। কিন্তু তার জরুরি অবস্থা জারি করার মতো সাহস নেই।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি এ ধরনের মানুষদের আটক করতেই চান তাহলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করুন। আর কতকাল আপনারা মানুষকে বোকা বানিয়ে রাখবেন?’
যন্তর মন্তরকে প্রতিবাদের স্থান হিসেবে তুলে দেওয়া এবং সিজেপি নেতাদের গ্রেপ্তারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আগামীকাল শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা। সেখানে লোকজনকে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
গত কয়েক দিনে সিজেপি কর্মী, বামপন্থী ছাত্র সংগঠন, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের সদস্যদের ওপর পুলিশের নেওয়া কড়া পদক্ষেপ ও আটকের ঘটনা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। মাত্র দুই দিন আগে, সিজেপির কো-কনভেনর আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাস জাতীয় পতাকা নিয়ে যন্তর মন্তরে পৌঁছানোর কারণে গ্রেপ্তার হন। পরে তাদের পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়।
এ ঘটনা টেনে অভিজিত দীপকে বলেন, ‘জাতীয় পতাকা ওড়ানো কবে থেকে অপরাধ হয়ে গেল? ব্রিটিশ আমলে এমনটি ঘটতে, আর এখন মোদি ও শাহের পুলিশও একই কাজ করছে। আজ এমন একটা সময় এসেছে যে আমাদের নিজেদের দেশেই জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।’
নরেন্দ্র মোদির কাছে ঠিক কী কারণে জ্ঞানেশ কুমার জাতীয় পতাকার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলেন? প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, ‘তারা নিজেদের প্রদেশে জাতীয় পতাকা ওড়াননি। তাই আশুতোষ ও সৌরভ যখন জাতীয় পতাকা ওড়াল, তখন আপনাদের তো সমস্যা হওয়ারই কথা।’
অভিজিত দীপকে বলেন, ‘এই দেশ গান্ধীর আদর্শ এবং বাবা সাহেবের সংবিধান অনুযায়ী চলবে।’