প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০০ পিএম
(ভিজিট : ১২)
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লেও তা সঠিক নয়। তিনি আগের চেয়ে ভালো আছেন এবং রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নিজ বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। নামের মিলের কারণে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন ব্যক্তিগত সহকারী মোকছেদুর রহমান আবির।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার ব্যক্তিগত সহকারী মোকছেদুর রহমান আবির।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ করেই ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি নামের মিলের কারণে বিভ্রান্তিতে পড়ে বিএনপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকেও বর্ষীয়ান এই নেতার মৃত্যুর খবর জানানো হয়।
গুজব ছড়ানোর কারণ সম্পর্কে ব্যক্তিগত সহকারী আবির জানান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার জুনিয়র আইনজীবী রফিকুল হোসেন রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। দুজনের নাম মিলে যাওয়ায় ভুলবশত ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার মৃত্যুর তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
প্রয়াত আইনজীবী রফিকুল হোসেনের দাফন মিরপুরে সম্পন্ন হবে বলেও জানান তিনি।
বিএনপির এই প্রবীণ নেতার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে আবির বলেন, স্যার আগের চেয়ে ভালো আছেন। তবে বার্ধক্যজনিত বেশ কিছু শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। তাকে নিয়মিত এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।
তিনি আরও বলেন, যাতায়াতের সুবিধার জন্যই আমরা ধানমন্ডির বাসা ছেড়ে এখন এভারকেয়ারের পাশে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বাসা নিয়েছি। চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি এখন বাসাতেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।
জানা গেছে, সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক জিয়াউল হকের অধীনে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাচ্ছেন।
তার অসুস্থতার বিষয়টি জানার পর গত ৩০ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তার সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) হাসপাতালে গিয়ে এই বর্ষীয়ান নেতার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২ মার্চ ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার স্ত্রী প্রফেসর ড. শাহিদা রফিক মারা যান। এরপর থেকে শারীরিক নানা জটিলতা নিয়ে তিনি অনেকটা নিভৃতেই জীবনযাপন করছেন।