প্রকাশ: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৪ পিএম
(ভিজিট : ১৭)
বাংলাদেশে সাত দিনের একাডেমিক সফর শেষে মালদ্বীপের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মালদ্বীপের (আইইউএম) ১১ সদস্যের প্রতিনিধিদল দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সাক্ষাতে সফরের অভিজ্ঞতা, অর্জন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলাদেশে পুনরায় একাডেমিক সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা।
সোশ্যাল এন্টারপ্রেনিউরশিপ এক্সপোজার প্রোগ্রাম (SEEP) ২০২৬-এর আওতায় ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত এ সফর অনুষ্ঠিত হয়। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (DIU) আতিথেয়তায় আয়োজিত কর্মসূচিতে আইইউএমের স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ের ১০ শিক্ষার্থী এবং একজন শিক্ষক অংশ নেন।
সফরকালে সামাজিক ব্যবসা, সামাজিক উদ্যোক্তা, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), ব্যবস্থাপনা, বিপণন ও ব্যবসায়িক পরিকল্পনা বিষয়ে বিভিন্ন একাডেমিক অধিবেশনে অংশ নেন তারা। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, লালবাগ কেল্লা, ইউনূস সেন্টার ও নোবেল মিউজিয়ামসহ গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা পরিদর্শনের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে পরিচিত হন।
সাক্ষাতে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের মানুষের আতিথেয়তা, সৌহার্দ্য ও আন্তরিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। বাংলাদেশি খাবার, তৈরি পোশাকশিল্প এবং সামাজিক ব্যবসার বিস্তৃত পরিসর তাদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে বলে জানান তারা। সফরটি দুই দেশের শিক্ষা ও জনগণের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলেও মত দেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।
হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক বিনিময় দুই দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পারস্পরিক অনুধাবন, সৌহার্দ্য ও আন্তঃসম্পর্ক সুদৃঢ় করার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সফরলব্ধ অভিজ্ঞতা সহপাঠী ও বৃহত্তর মালদ্বীপের সমাজের সঙ্গে বিনিময়ের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ধারাবাহিক শিক্ষা ও একাডেমিক বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক সেতুবন্ধন গড়ে তোলা সম্ভব। ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্যোগের পরিধি সম্প্রসারণ এবং অধিকসংখ্যক শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন হাইকমিশনার।