প্রকাশ: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
(ভিজিট : ৫)
নারী ফুটবলে দুই কোরিয়ার কাছে ১৬ গোল হজমের ক্ষত এখনও তাজা। অন্যদিকে হকির র্যাঙ্কিংয়েও দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের চেয়ে বহুদূর এগিয়ে।
তা সত্ত্বেও এশিয়ান গেমস হকিতে শক্তিশালী কোরিয়ার বিপক্ষে গোলশূন্য প্রথম কোয়ার্টার উপহার দিয়ে আশার আলো জ্বালিয়েছিল বাংলাদেশ পুরুষ হকি দল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ডিফেন্সের ভুল আর সুযোগ মিসের মহড়ায় ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে হয় লাল-সবুজ প্রতিনিধিদের। শেষ পর্যন্ত ৫-০ ব্যবধানের বড় হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে।
ম্যাচের দ্বিতীয় কোয়ার্টারে রক্ষণের ভুলে টানা দুই গোল হজম করে বাংলাদেশ।
তবে ম্যাচে ফেরার দুটি মোক্ষম সুযোগও এসেছিল। বিশেষ করে দ্বীন ইসলাম ইমন কোরিয়ান গোলরক্ষককে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। একই ধরনের সুযোগ মিস করেন মিমো। অন্যদিকে দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফেরা অভিজ্ঞ রাসেল মাহমুদ জিমিও নিজের নামের বিচার করতে পারেননি।
তৃতীয় কোয়ার্টারে আরও দুই গোল এবং শেষ কোয়ার্টারে শেষ পেরেক খেয়ে ০-৫ গোলের পরাজয় নিশ্চিত হয়।
ম্যাচে বাংলাদেশ দলের ডাগআউটেও দেখা গেছে চরম বিশৃঙ্খলা। অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড না হওয়ায় কোচিং স্টাফের সদস্য অলিভার টেন্টে বসতেই পারেননি, ডাগআউটে থাকা জরুরি হলেও তাকে গ্যালারিতে বসে দর্শকের ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে।
গিফু হকি স্টেডিয়ামের প্রেস বক্সে বসে ম্যাচটি পর্যবেক্ষণ করেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক তাহির জামান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ শুরুটা ভালো করলেও সেই ধারা ধরে রাখতে পারেনি।
বড় দলের বিপক্ষে গোলের সুযোগ হাতছাড়া করলে লড়াই করা অসম্ভব হয়ে পড়ে, আর দলের সবার ফিটনেসও একই স্তরে থাকা জরুরি।’
অন্যদিকে বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ গেরহার্ড পিটার পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ম্যাচের অভাবকে হারের পেছনে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা জার্মানি যেতে পারলে অনেক ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতাম, চীনে মাত্র পাঁচটি ম্যাচ খেলতে পেরেছি। আমরা যে দুটি সুযোগ মিস করেছি, সেগুলো গোল হলে খেলার চিত্র অন্যরকম হতো।’