প্রকাশ: রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২২ পিএম
(ভিজিট : ৬)
হরমুজ প্রণালিতে একটি জাহাজে হামলার খবর পাওয়া গেছে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ নৌবাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ইউকেএমটিও এ তথ্য জানিয়েছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরো বেড়েছে।
ইউকেএমটিও জানায়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় একটি জাহাজে অজ্ঞাত কোনো বস্তু, ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় ভোর পর্যন্ত জাহাজটির ক্ষয়ক্ষতি ও নাবিকদের অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি বলে খবর প্রকাশ করেছে রয়টার্স।
এর এক দিন আগে শনিবার সৌদি আরব জানায়, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তারা সাময়িকভাবে ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইন বন্ধ করেছে।
বৃহস্পতিবার ওই পাইপলাইনে ড্রোন হামলা হয়। বাগদাদ ও রিয়াদ বলেছে, ইরাক থেকে ইরান-সমর্থিত একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামলাটি চালিয়েছে। তবে হামলার দায় কেউ স্বীকার করেনি।
আরব উপদ্বীপজুড়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনটি সৌদি আরবের তেল রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ প্রায় বন্ধ থাকায় গত ছয় মাসে এ পাইপলাইন দিয়ে প্রতিদিন ৪০ লাখ থেকে ৫০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হয়েছে। এটি বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ৪ থেকে ৫ শতাংশ।
পাইপলাইনে হামলার পর সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।
এদিকে সৌদি আরবের তেল পাইপলাইনে হামলার জন্য ‘সম্ভবত ইরানই দায়ী’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার আয়ারল্যান্ডে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ ছাড়া সৌদি সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, শনিবার হুতিদের ছোড়া একটি প্রজেক্টাইলে জাজান অঞ্চলে দুজন আহত হয়েছেন। এতে একটি মসজিদসহ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে হামলা জোরদার হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দামও বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে।