প্রকাশ: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
(ভিজিট : ১১)
নাহিদ রানার হয়তো আক্ষেপ হচ্ছে। স্বগতোক্তিতে হয়তো বলছেন, ‘ইশ, আমারও এখানে থাকার কথা ছিল।’ আগামীকাল নাজমুল হোসেন শান্ত-মেহেদী হাসান মিরাজরা যে ডারউইনে টেস্ট খেলতে নামবেন।
সতীর্থদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ রেখে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই মাঠে লড়াই করতে পারতেন নাহিদও। অস্ট্রেলিয়া সফর চূড়ান্ত হওয়ার সময়ই হয়তো প্রতিপক্ষের মাঠে গতির ঝড় তোলার স্বপ্ন বুনছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস চোট তার স্বপ্ন পূরণে বাধা হলো।
শিনবোনের চোটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন নাহিদ। আফসোস হওয়া তাই স্বাভাবিক। কেননা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আবার কবে বল করার সুযোগ আসবে কে জানে? দীর্ঘ ২৩ বছর পর যে প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। এ দলের কারোরই অভিজ্ঞতা নেই অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলার।
তবে আফসোসটা শুধু নাহিদেরই হচ্ছে না, হচ্ছে বাংলাদেশেরও। কেননা পেস সহায়ক উইকেটে তার গতির ঝড়টা যে প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশেরও। দীর্ঘ সংস্করণের সিরিজে তার না থাকা মিস করবেন বলে প্রথম টেস্ট শুরুর আগে সংবাদ সম্মেলনে জানান অধিনায়ক শান্ত। ইতিমধ্যে গতি দিয়ে বিশ্বকে মুগ্ধ করা নাহিদকে নিয়ে শান্ত বলেছেন, ‘অবশ্যই ওকে মিস করব। এখন আসলে এটা নিয়ে চিন্তা করে লাভ নাই।
খুবই আনফরচুনেট নাহিদ রানা এখানে নাই। তবে যেই পেস ইউনিটটা এখানে আছে, আমি বিশ্বাস করি তারাও কন্ডিশনটা ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারবে।’
ডারউইনের উইকেট বোলাররা একটু বেশি সুবিধা পেলেও ব্যাটারদের জন্যও সহায়ক হবে বলে জানান শান্ত। বাংলাদেশের অধিনায়ক বলেছেন, ‘আমার তাই মনে হয়। উইকেটে ঘাস আছে তবে আমার মনে হয় উইকেটটা ভালো হবে। তাই বোলিং এবং ব্যাটিং দুইদিকেই সাহায্য থাকবে। তবে আমার মনে হয় বোলাররা হয়তো একটু বেশি বেনিফিট পেতে পারে। তাই উইকেট দেখে ভালো মনে হচ্ছে। আমার মনে হয় বোলিং এবং ব্যাটিং দুই দিক থেকেই চ্যালেঞ্জ থাকবে। চেষ্টা করতে হবে দুই দিক থেকে ভালো করার।’