প্রকাশ: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৪:১১ পিএম
(ভিজিট : ২৩)
দিল্লির রাইসিনা রোডে বসানো উচ্চ নিরাপত্তার পুলিশি ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেছে বিক্ষোভকারীরা। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা ‘সংসদ চলো’ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তপ্ত রূপ নিয়েছে ভারতের রাজধানী দিল্লি।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে ভারতের তরুণ সমাজ। দেশটির শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এই আন্দোলনের ডাক দেয় সিজেপি।
আন্দোলনের ২১তম দিনে গত ১৮ জুলাই অনশনরত অবস্থায় বিশিষ্ট অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। বর্তমানে তিনি দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সোনম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে যাওয়ার পরই আন্দোলনকারীরা পার্লামেন্ট অভিমুখে লং মার্চের ঘোষণা দেন। সোমবার (২০ জুলাই) ভারতের পার্লামেন্টের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর দিনে এই লং মার্চের ডাক দেওয়া হয়। সকালে সেন্ট্রাল দিল্লির যন্তর মন্তরে জড়ো হন হাজার হাজার শিক্ষার্থী, তরুণ নেতা ও অ্যাক্টিভিস্ট।
ধস্তাধস্তি ও মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ
বিক্ষোভকারীদের আটকাতে পুরো এলাকা একাধিক স্তরে ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলে দিল্লি পুলিশ। মোতায়েন করা হয় শত শত নিরাপত্তা কর্মী। মিছিল নিয়ে আন্দোলনকারীরা পার্লামেন্টের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তীব্র ধস্তাধস্তি শুরু হয়। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মধ্য দিল্লির বেশকিছু এলাকায় সাময়িকভাবে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ তীব্র লাঠিচার্জ চালিয়েছে বলে জানা গেলেও দিল্লি পুলিশ তা অস্বীকার করেছে।
এক অফিসিয়াল বিবৃতিতে পুলিশ দাবি করেছে, ঘটনাটি পেশাদারত্বের সঙ্গে সামাল দেওয়া হচ্ছে এবং সেখানে কোনো সহিংসতা ঘটেনি। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষকে অনুরোধ জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
সূত্র: দ্য প্রিন্ট