সোমবার ২৯ জুন ২০২৬ ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
 
শিরোনাম:


গণপূর্তের কাঠের কারখানায় দুনীতির মহোৎসব গণপূর্ত মন্ত্রীকে ভুগোল বোঝালো প্রকৌশলীরা
# প্রতিটি টেন্ডারের পরতে পরতে অনিয়ম ও দুর্নীতি # মানা হয়নি পিপিআর # নাম সর্বস্ব প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ প্রদান # কাজ না করেই বিল পরিশোধের পায়তারা # কমিশন নিয়ে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন পিডি # কর্মজীবনের শেষে সর্বগ্রাসী দুর্নীতিতে যুক্ত দুই প্রকৌশলী
প্রকাশ: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৬:১৩ পিএম  (ভিজিট : ৩৫)
দেশের জেলা হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও সংস্কার প্রকল্পে গণপূর্ত কাঠের কারখানা বিভাগ যেসব কাজ বাস্তবায়ন করছে তার টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে। পিপিআরের নির্ধারিত শর্তগুলো উপেক্ষা করে নামকাওয়াস্তে প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়া হয়েছে। আর সেই কাজ না করেই বিল প্রদানের পায়তারা চলছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ কাজের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই পাওয়া অর্থ ভাগ-বাটোয়ারায় নেমেছে এর দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী জুবায়ের বিন হায়দার, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহাবুবুল হক চৌধুরী এবং অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ইএম-জোন) আশ্রাফুল হক আশরাফ। এই টেন্ডার পাস করায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) খালেকুজ্জামান চৌধুরীর নামেও রাখা হচ্ছে বাটোয়ারার অংশ।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের এই অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে ইতিমধ্যেই অবহিত হয়েছেন এর দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন। প্রথমে তিনি গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও ইএম-এর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীকে মন্ত্রণালয়ে তলব করে এর ব্যাখ্যা চেয়েছেন। পরে জাতীয় সংসদ ভবনে তাঁর কার্যালয়ে এ নিয়ে আবার ব্যাখ্যার জন্য ডেকেছিলেন মন্ত্রী। সেখানে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আশ্রাফুল হক ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহাবুবুল হক চৌধুরী মন্ত্রীকে জানিয়েছেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোন অনিয়ম ও ‍দুর্নীতি হয়নি। টেকনিক্যাল জ্ঞান না থাকায় প্রকৌশলীদের এই ব্যাখ্যাই তিনি মেনে নিয়েছেন। অথচ টেন্ডার প্রক্রিয়ায় পরতে পরতে প্রকাশ্য দিবালোকের মতো দুর্নীতির ছাপ স্পষ্ট।

সম্প্রতি দেশের জেলা হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও সংস্কার প্রকল্পের দরপত্র আহ্বান করে গণপূর্তের ই/এম কাঠের কারখানা বিভাগ। গত ৮ জুন পর্যন্ত আহ্বান করা মোট ১২টি দরপত্রের ৮টিতেই সর্বনিম্ন দরদাতা হয় দেশের সবচেয়ে নামকরা ফার্নিচার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ‘হাতিল ফার্নিচার’। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি এর মধ্য থেকে মাত্র ১টি কাজের কার্যাদেশ দিলেও বাকি ৭টি কাজের আদেশ ঝুলিয়ে রাখে মুলত গণপূর্তের প্রকৌশলী ত্রয়ের অতিরিক্ত অর্থ দাবির আবদার মেটাতে না পারায়।

এই বিষয়ে ন্যায়সঙ্গত: আচরণ পেতে হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেডের কোম্পানি সেক্রেটারি মো. রেজাউল করিম গত ৮ জুন গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রকৌশলী (ই/এম) জোন আশ্রাফুল হকের কাছে আবেদন করেন। সেখানে তিনি জেলা হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও সংস্কার প্রকল্পের পরিচালক থেকে শুরু করে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। অভিযোগ করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের কাছেও। মন্ত্রী বিষয়টি আমলে নিয়ে গণপূর্তের প্রকৌশলীদের তলব করলেও প্রকৌশলীরা মন্ত্রীকে ‘ভুল’ ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আর তাতেই সন্তষ্ট হয়েছেন তিনি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের নিজ জেলা কুমিল্লার টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নেন এই প্রকৌশলীরা। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মহিলা ছাত্রাবাস ভবন নির্মাণ (টেন্ডার আইডি- ১২৭৪৩৮২) কেন্দ্রে আসবাবপত্র সরবরাহ কাজের টেণ্ডারে কমপক্ষে ৯টি অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এই কাজের দরপত্র খোলার দশদিন পূর্বেই অর্থাৎ সরকারি ছুটির মধ্যেই ২৮ মে ২০২৬ সকাল ১০ টায় সিডিউল বিক্রয় বন্ধ করে দেয়া হয়। কার্যত: ২৮ মে ছিল ঈদ উল আযহা উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটির দিন। টেন্ডার সিডিউল ক্রয় ও সিকিউরিটি জমাদানের শেষ সময় রাখা হয়েছে সরকারি ছুটির মধ্যে এবং ওপেনিং রাখা হয়েছে ৭ জুন ২০২৬।  সিডিউল বিক্রয় নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই বন্ধ করে দেওয়ার মাধ্যমে পিপিআর ২০২৫ এর ১১৪ (৯), ১১৫(৫) ধারা লংঘনের মাধ্যমে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা, সমঅংশগ্রহণ ও স্বচ্ছতার মৌলিক নীতি ক্ষুন্ন করা হয়েছে। এখানে মূলত দূর্নীতির উদ্দেশ্যে এবং বিশেষ কাউকে সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যেই এ কাজ করা হয়েছে।

এই দরপত্রে সংশোধনী আনা হলেও বিপিপিএ, গণপূর্ত কিংবা কোন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়নি যা পিপিআর ২০২৫ এর বিরোধী। সাধারণত ৩ থেকে ৫ বছর কাজের অভিজ্ঞতা রাখার প্রচলিত নিয়ম রয়েছে। এই দরপত্রে ৫ বছরের জন্য সাধারণ অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে। একক কাজের অভিজ্ঞতা সাধারণত সরকারি/বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানেই একই ধরনের এবং সমমানের অর্থাৎ ৩ বছরের মধ্যে হাসপাতালে সরবরাহকৃত আসবাবপত্রের সরবরাহের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়।

বর্ণিত দরপত্রের শর্তে নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের ফ্যাক্টরি থাকা আবশ্যক। লীজ বা হায়ার করা কোন ফ্যাক্টরি গ্রহণযোগ্য নয় মর্মে শর্তারোপ করা হয়েছে। আবার বলা হয়েছে- নিজস্ব উৎপাদন কারখানা, হিট-ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, সিজনিং-ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এবং ল্যাকার প্ল্যান্ট রয়েছে-এ মর্মে অনুমোদিত কোনো তৃতীয় পক্ষের সনদ বা প্রত্যয়নপত্র থাকতে হবে। এই তৃতীয় পক্ষ কে বা কারা সেটা উল্লেখ নেই। এসব শর্ত দিয়ে দরপত্রে অংশগ্রহণ সীমিত করা হয়েছে। তৃতীয় পক্ষ বলতে কি বুঝানো হয়েছে তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই।

দরপত্র শর্তে উল্লেখ আছে- দরপত্রদাতার নিজস্ব কারখানায় একটি স্বয়ংক্রিয় সমন্বিত ইউভি ল্যাকার লাইন সিস্টেম থাকতে হবে। যার মাধ্যমে আসবাবপত্রের উপর টেকসই ও পানি-প্রতিরোধী ফিনিশিং সারফেস প্রদান করা যায়। উক্ত সিস্টেমটি বাংলাদেশের যে কোনো সরকারি সংস্থা কর্তৃক প্রত্যয়িত হতে হবে এবং এর সাথে যে কোনো অনুমোদিত সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত টোটাল ভোলাটাইল অর্গানিক কম্পাউন্ড পরীক্ষার প্রতিবেদনও দাখিল করতে হবে। উক্ত শর্ত দিয়ে দরপত্র প্র্র্রক্রিয়া সংকুচিত করা হয়েছে। কারণ হাতে গোনা ২/১ টি কোম্পানি ছাড়া এই সিস্টেম বাংলাদেশের আর কোথাও নেই। ফলে নামী দামী ব্রান্ডের আসবাবপত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান উক্ত দরপত্রে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। অপরদিকে বিশেষ পছন্দের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশগ্রহণের পর উক্ত শর্তকে শিথিল দেখিয়ে সেই প্রতিষ্ঠানের নামে কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে যা পিপিআর ২০২৫-এর বিরোধী।

বিভিন্ন শর্ত প্রয়োগের মধ্যে একটি শর্ত হচ্ছে, নির্ধারিত ফরম্যাটে ম্যানুফ্যাকচারিং অথরাইজেশন থাকা লাগবে। এই শর্তের প্রয়োজন হয় যদি অন্য কারো থেকে মালামাল সংগ্রহের প্লান থাকে। যদি বিদেশ থেকে কোন মালামাল আনয়ন করা হয় সেক্ষেত্রে আইআরসি (ইম্পোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট) এর প্রয়োজন হয়। যদি নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে মালামাল প্রস্তুত করা হয় সেক্ষেত্রে এই শর্তের প্রয়োজন নেই। অন্য কোন পক্ষ যদি বাইরে থেকে মালামাল এনে দেয় তাহলে সেই পক্ষের অথরাইজেশন/ ডিলারশীপ/ আইআরসি (ইম্পোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট) এর প্রয়োজন হয়। এখানেও শুভঙ্করের ফাঁকি রয়েছে। আইআরসি (ইম্পোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট) সনদ ছাড়া কিভাবে একটি মালামাল বিদেশ থেকে আমদানি করা হয় তা তদন্তযোগ্য বিষয়। যার নামে কার্যাদেশ ইস্যু হয়েছে সেই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আদৌ সরাসরি বিদেশ থেকে মালামাল আমদানী করেছে কিনা তা-ও যাচাই প্রয়োজন।

সাধারণভাবে ইজিপি দরপত্রে দরপত্র জমা দেওয়ার কাগজপত্র ম্যানুয়ালি নেওয়ার বিধান নেই। ইজিপি পদ্ধতিতে টেন্ডার ডকুমেন্ট, টেন্ডার সিকিউরিটি, টেন্ডার সাবমিশন, ওপেনিং ও মূল্যায়ন সবকিছুই সিস্টেমের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ার কথা। কিন্তু উক্ত দরপত্রে ম্যানুয়ালিও দরপত্রে জমাকৃত তথ্যাদি সরবরাহের জন্য বলা আছে। যা পিপিআর অনুযায়ী অবৈধ। ইজিপিতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট থাকলেও ম্যানুয়ালি অপছন্দের কোম্পানির কাগজপত্র সরিয়ে ফেলার সুযোগ রয়েছে। এমনই একটি ফাঁদে ফেলে হাতিল, আক্তারসহ বড় প্রতিষ্ঠানের দরপত্রে সর্বনিম্ন দরদাতা হওয়ার পরেও কাজ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

কাঠের কারখানা বিভাগ-১ ও কাঠের কারখানা বিভাগ-২ এর দরপত্রে অংশ নেয়ার শর্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠানগুলোর যান্ত্রিক ও রাসায়নিক প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্ট, সিজনিং প্ল্যান্ট এবং ল্যাকার প্ল্যান্টসহ কাঠ ও ইস্পাতের আসবাবপত্র উৎপাদন কারখানা থাকা বাধ্যতামূলক। এর মধ্যে দরপত্রে অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে হাতিল ফার্ণিচার লিমিটেড ও আক্তার ফার্ণিচার্স লিমিটেডের এই সুবিধা রয়েছে। তবে এমন প্ল্যান্ট নেই এ রকম ৭টি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিপুল আর্থিক সুবিধা নিয়ে কাজ দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-ফার্ণিচার কনসেপ্ট লিমিটেড, পশ ফার্ণিচার, ডট ফার্ণিচার, নাদিয়া ফার্ণিচার লিমিটেড, আরএফএল ফার্ণিচার, অথেনটিক ফার্ণিচার ও আকিদ এন্টারপ্রাইজ।

এছাড়া তিনটি দরপত্র (আইডি নং-১২৮১৯২১, ১২৮১৭৫০ ও ১২৮১৭৪৯) ২৪ মে ২০২৬ আহবান করে দরপত্র খোলা হয়েছে ৮ জুন ২০২৬। বাস্তবে ২৫ মে-৩১ মে সরকারি ঈদের ছুটি ছিল। সে হিসাবে দরপত্র লাইভে ১৪ দিন থাকলেও এর মধ্যে সরকারি ছুটি ছিল ৮ দিন। একই দিনে সিডিউল ক্রয়, একই দিনে নিরাপত্তা জামানাত জমা, একই দিনে দরপত্র খোলার মাধ্যমে পিপিআর-২০২৫, ১১৪ (৯), ১১৫(৫) ধারা লংঘনের মাধ্যমে সিডিউল ক্রয় করতে দেওয়া হয়নি।এছাড়া ১২৮২৪২৮, ১২৮২৪২৯, ১২৮২৪৩০ ও ১২৮৪৫১৫ নম্বর দরপত্র ২৪ মে ২০২৬ তারিখে দরপত্র আহবান করে দরপত্র খোলা হয়েছে হয়েছে ৪ জুন ২০২৬। বাস্তবে ২৫ মে-৩১ মে সরকারি ঈদের ছুটি ছিল। সে হিসাবে দরপত্র লাইভে ১০ দিন থাকলেও এর মধ্যে সরকারি ছুটি ছিল ৮দিন। একই দিনে সিডিউল ক্রয়, একই দিনে নিরাপত্তা জামানাত জমা, একই দিনে দরপত্র খোলা হয়েছে। পিপিআর-২০২৫, ১১৪ (৯), ১১৫(৫) ধারা লংঘনের মাধ্যমে সিডিউল ক্রয়ের সুযোগ সীমিত করা হয়েছে।

এছাড়া তিনটি দরপত্র (আইডি নং-১২৭২৮৫৫, ১২৭২৮৫৬, ১২৭২৮৫৮) ১০ মে ২০২৬ তারিখে আহবান করে খোলা হয়েছে ২ জুন ২০২৬। বাস্তবে ২৫ মে-৩১ মে সরকারি ঈদের ছুটি ছিল। সে হিসাবে দরপত্র লাইভে ২২ দিন থাকলেও এর মধ্যে সরকারি ছুটি ছিল ১১ দিন। একই দিনে সিডিউল ক্রয়, একই দিনে নিরাপত্তা জামানাত জমা, একই দিনে দরপত্র খোলা হয়েছে। পিপিআর-২০২৫, ১১৪ (৯), ১১৫(৫) ধারা লংঘনের মাধ্যমে সিডিউল ক্রয় সীমিত করা হয়েছে।

গত ২ জুন ২০২৬ আরো তিনটি (আইডি নং- ১২৮৪২৩৬, ১২৮৪২৩৫, ১২৮৪২৩২, ১২৮৪২৩৩) দরপত্র আহবান করে দরপত্র খোলা হয় ১৬ জুন। একই দিনে সিডিউল ক্রয়, একই দিনে নিরাপত্তা জামানাত জমা, একই দিনে দরপত্র খোলার মাধ্যমে মানা হয়নি পিপিআর-২০২৫, ১১৪ (৯), ১১৫(৫) ধারা। আরো তিনটি দরপত্রে (আইডি নং-১২৭২৮৫৯, ১২৭২৭৫২, ১২৭২৮৪৪) একই দিনে সিডিউল ক্রয়, একই দিনে নিরাপত্তা জামানাত জমা, একই দিনে দরপত্র খোলা হয়েছে।

এছাড়া ৭টি দরপত্রে (আইডি নং-১২৫৬৯৪৭, ১২৫৬৯৪৮, ১২৫৬৯৪৯, ১২৫৬৯৪৬, ১২৫৬৯৪৪, ১২৫৬৯৪৩, ১২৫৬৯৪১) সংশোধনী আনা হয়েছে কিন্তু বিপিপিএ, গণপূর্ত কিংবা কোন জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি যা পিপিআর ২০২৫ এর বিরোধী।

জীবনের শেষ সুযোগ: আগামী আগস্ট মাসে অবসরে যাবেন গণপূর্ত ইএম জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আশ্রাফুল হক আশ্রাফ। স্বাস্থ্যখাতের ৩০০ কোটি টাকার ফার্নিচার সরবরাহের এই টেন্ডার তাঁর অবসর জীবনের আগে একটি বড় আয়ের সুযোগ হিসেবে দেখছেন। এ কারনেই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে কমপক্ষে ৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তিনি। একইভাবে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহাবুবুল হক চৌধুরী আগামী ডিসেম্বরে অবসরে যাবেন। তিনিও একই প্রক্রিয়ায় সমান পরিমান অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন।








আরও খবর


Loading...
Loading...
প্রকাশক: এম এন এইচ বুলু
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মাহফুজুর রহমান রিমন  |   উপদেষ্টা সম্পাদক : রাজু আলীম  
বিএনএস সংবাদ প্রতিদিন লি. এর পক্ষে প্রকাশক এম এন এইচ বুলু কর্তৃক ৪০ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বুলু ওশেন টাওয়ার, (২১ তলা), বনানী, ঢাকা ১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
ফোন:০২৯৮২০০১৯-২০ ফ্যাক্স: ০২-৯৮২০০১৬ ই-মেইল: [email protected]