টেকসই উন্নয়ন ও সাফল্যের জন্য পরিশ্রমের বিকল্প নাই। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম নিজ কর্তব্য পালনে সচেষ্ট রয়েছেন। সরকারের আস্থায়ও রয়েছেন তিনি। মন্ত্রী হয়েই সময়ের মূল্য বুঝতে পেরেছেন তিনি। দায়িত্ব-কর্তব্য আন্তরিকতার সাথে সম্পন্ন করাতেই সরকারের সুনজরে রয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার একজন কর্মঠ মন্ত্রী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। ঈদ যাত্রাকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দশনায় দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট রয়েছেন তিনি। তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেই নিজেকে সক্রিয় রেখেছেন তিনি। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করার পর প্রতারক চক্র সড়কমন্ত্রীকে কে নিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই অসাধু চক্রের টার্গেটে রয়েছে মন্ত্রী পরিষদের কর্মঠ সদস্যরা।
এবারের ঈদ যাত্রায় প্রশংসা কুড়িয়েছেন সড়কমন্ত্রী। তার তদারকিতে ঈদুল আজহা উদযাপন শেষে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নির্বিঘ্নে ঢাকায় ফিরেছে মানুষ। পদ্মা ও যমুনা সেতু দিয়ে দূরপাল্লার গণপরিবহন, ব্যক্তিগত পরিবহন ও মোটরসাইকেলের বিড়ম্বনা ছাড়াই নির্বিঘ্নে চলাচল করছে।
সড়কমন্ত্রীর নির্দেশে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে ঘাট কর্তৃপক্ষ বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছিলো। যানজট ও পারাপারের সময় কমাতে বাসের যাত্রীদের আগে নামিয়ে আলাদা করে পারাপারের ব্যবস্থা করে এবং খালি বাস ফেরিতে তোলে।
সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের ঈদযাত্রাকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে নিরলসভাবে কাজ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীও ঈদযাত্রায় সার্বক্ষণিক মনিটরিং করেন।
তিনি আরও বলেন, মানুষের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ফলে পদ্মা সেতুতে ২১-৩০ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত ১০ দিনে ৩ লক্ষ ১৮ হাজার ৫১৫ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে এবং মোট টোল আদায় হয়েছে ৩৬ কোটি ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার ৯০০ টাকা। যমুনা সেতুতে ২১-৩০ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত ১০ দিনে ৩ লক্ষ ৬১ হাজার ৪৮২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে এবং মোট টোল আদায় হয়েছে ২৭ কোটি ৬৮ লক্ষ ৫৪ হাজার ৯০০ টাকা।
বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবছর যানবাহনের চাপ বেশি থাকলেও এই বছর বড় কোন দুর্ঘটনা বা বড় ধরণের যানজট পরিলক্ষিত হয়নি। এই পরিসংখ্যানগুলো দেশের সড়ক অবকাঠামো ব্যবস্থাপনায় সেতু কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা এবং দক্ষতার প্রতিফলন।
তবে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানো সরকারের একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হতে পারে। কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে নতুন মুখ দেখা যেতে পারে। বিষয়টি সরকার ও বিএনপির উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। প্রশাসনের গতি বাড়াতে শিগগিরই এ সম্প্রসারণ হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য হচ্ছে, যেসব মন্ত্রণালয়ে কাজের চাপ বেশি, সেখানে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আসা। একজন মন্ত্রীর দায়িত্ব একটি মাত্র দপ্তরে সীমাবদ্ধ রাখতে চাইছেন তিনি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
২০০১ সালেও বিএনপি সরকারের সময় প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৬০ জনে উন্নীত করা হয়েছিল।
নতুন পদক্ষেপে কয়েকজন উপমন্ত্রী ও সংরক্ষিত নারী আসন থেকে একজন সদস্যকে মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে।