বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের হাত ধরেই রাজনৈতিক শিক্ষা শুরু বলে জানিয়েছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। বলেছেন, ‘জাতীয়তাবাদের লড়াইয়ের শিক্ষা ছাত্রদল থেকেই পেয়েছি।’
আজ মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরসঙ্গী হিসেবে বর্তমানের জাপানে আছেন আমজনতা দলের এই নেতা।
এর আগে কুবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ এক ফেসবুক পোস্টে জানান, আমজনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অধ্যয়নকালে ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন। এ প্রসঙ্গ টেনে মো. তারেক রহমান বলেন, ‘শুভ ভাই সঠিক বলেছেন, প্রাণের সংগঠন ছাত্রদলের হাত ধরেই আমার রাজনৈতিক শিক্ষা।’
ফেসবুক পোস্টে তিনি তার রাজনৈতিক জীবনের পথচলা এবং বিভিন্ন ঘটনার তথ্য তুলে ধরেন। জানান, কিভাবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসে ঢাকাতে কোটাবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
তিনি বলেন, ‘২০১৪-এর নির্বাচনকেন্দ্রিক হরতাল-অবরোধে খুব সক্রিয় ছিলাম আমি। এর পর থেকেই রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ি।’
২০১৮ সালের কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করেন মো. তারেক রহমান। বলেন, ‘তখন আমি আর কোনো দলীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। তবে ছাত্ররাজনীতির সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি কোটা আন্দোলনে।’
তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালের ১৪ মার্চ আমিসহ ৫৪ জন আটক হলে আমার বন্ধু বর্তমানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোশারফ হোসাইনকে ফোন করলে, ছাত্রদলের অপর সহযোদ্ধা কামরুল ভাইয়ের উদ্যোগে ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে অবরুদ্ধ করে। আমাদের মুক্তি পর্যন্ত সেই অবরোধ জারি ছিল। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই অবরোধ ছিল কোটা আন্দোলনের প্রথম রাজপথের প্রতিরোধ।’
নিজের রাজনৈতিক আদর্শ ও বিভিন্ন আন্দোলনে ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান লেখেন, ‘তবে জাতীয়তাবাদের এই লড়াইয়ের শিক্ষা ছাত্রদল হতেই পেয়েছি। স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর-উত্তম), গণতন্ত্রের মা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জাতীয়তাবাদী আদর্শই আমার শেকড় ছিল। এমনকি ভারতীয় আগ্রাসনবিরোধী পণ্য বর্জন আন্দোলন, এক দফার যুগপৎ আন্দোলন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তাদের সুযোগ্য সন্তান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি তত্ত্বাবধানে, পরামর্শেই কাজ করেছি।’