প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম
(ভিজিট : ১৭)
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি সবাইকে উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে উৎসব উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ শুভেচ্ছা ও আহ্বান জানান।
বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিন্দুধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। তিনি ভক্তদের কল্যাণ সাধন করেন, অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটান এবং সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভের বিনাশ ও সত্য-সুন্দরের আরাধনার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব অনন্য তাৎপর্য লাভ করেছে।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব ও আচার-অনুষ্ঠান উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে পালন করবেন। ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের এই ঐতিহ্য দেশের দীর্ঘদিনের ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সৌন্দর্যকে তুলে ধরে।
ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ধর্ম, গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। মানবতার কল্যাণও প্রতিটি ধর্মের অন্যতম মূল দর্শন। তাই নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি পালনের পাশাপাশি পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের পতনের পর বাংলাদেশ আবারও গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। একই সঙ্গে শুরু হয়েছে দেশ পুনর্গঠনের বৃহৎ কর্মযজ্ঞ। দল-মত, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য কল্যাণমুখী, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা তাঁদের অঙ্গীকার।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেওয়া শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ। তিনি বলেন, ‘ধর্ম যার যার—রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার—নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’