প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩৩ পিএম
(ভিজিট : ২১)
সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে মক্কা ডিফেন্স অ্যালায়েন্স। জোটের যৌথ প্রতিরক্ষা অঙ্গীকার অবিলম্বে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক। এর আওতায় সৌদি আরবে দ্রুত সামরিক বাহিনী ও সামরিক সক্ষমতা মোতায়েনের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।
রিয়াদে জোটের Strategic-Political and Defense Committee-এর জরুরি বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সদস্য দেশগুলো আগে সম্মত সামরিক বাহিনী ও সক্ষমতা সৌদি আরবে দ্রুত মোতায়েনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এর মূল লক্ষ্য হলো সৌদি আরবের সামরিক প্রস্তুতি ও প্রতিরক্ষা সমন্বয় জোরদার করা এবং সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় তিন দেশের সম্মিলিত সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা।
জরুরি বৈঠকে মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্য করে হামলার প্রচেষ্টা এবং সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর, বেসামরিক স্থাপনা ও অর্থনৈতিক অবকাঠামোর ওপর চলমান হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে যেকোনো হামলা বা হুমকি প্রত্যাখ্যান করে তিন দেশ। একই সঙ্গে সৌদির নিরাপত্তাকে জোটের সম্মিলিত নিরাপত্তার অংশ হিসেবে দেখার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
এদিকে মক্কা ডিফেন্স অ্যালায়েন্সের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠনের অংশ হিসেবে পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নওমান মাহমুদকে তিন বছরের জন্য জোটের প্রথম মহাসচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তিন দেশ ঘোষণা করেছে, এক দেশের নিরাপত্তা অন্য দুই দেশের সম্মিলিত নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। জোটের প্রতিরক্ষা অঙ্গীকার বাস্তবে প্রয়োগের এই পদক্ষেপকে তারা যৌথ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি এবং তিন দেশের ঐক্য ও প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ানোর গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।
তবে এখন পর্যন্ত প্রকাশিত সরকারি বিবৃতিতে কতজন সেনা, কোন ইউনিট বা কী ধরনের নির্দিষ্ট অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সৌদি আরবে পাঠানো হবে—সে বিষয়ে কোনো সংখ্যা বা বিস্তারিত জানানো হয়নি।