সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
 
শিরোনাম:


বাবা-মায়ের পর জাতিসংঘে তারেক রহমান
প্রকাশ: রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০০ পিএম  (ভিজিট : ১৩)
বাবা যে মঞ্চে বিশ্ব অর্থনীতির ন্যায়বিচারের কথা বলেছিলেন, মা যে মঞ্চে গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়নের প্রশ্ন তুলেছিলেন, সেই বিশ্বমঞ্চেই এবার ছেলে। প্রজন্ম পরম্পরায় একই পরিবারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতার ইতিহাসে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর এবার জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে দাঁড়াতে যাচ্ছেন ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো সরকারপ্রধান হিসেবে ভাষণ দেবেন তিনি। ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তার। সংক্ষিপ্ত এই সফরে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি বিশ্বনেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক ও উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

এবার ভিন্ন বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশন শুরু হয়েছে। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অধিবেশনের উদ্বোধন হয়। এদিকে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার নিউইয়র্কে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি ২৪ সেপ্টেম্বর ভাষণ দেবেন।

তারেক রহমানের এই ভাষণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক পরিবারের তিনটি অধ্যায় যেন এসে মিলছে জাতিসংঘের একই বিশ্বমঞ্চে। বিশ্ব ইতিহাসে এই ঘটনা প্রথম। ১৯৮০ সালে জিয়াউর রহমান যখন জাতিসংঘে বক্তব্য দেন, তখন বিশ্ব ছিল শীতল যুদ্ধের তীব্র দ্বন্দ্বে বিভক্ত; উত্তর-দক্ষিণ বৈষম্য, অস্ত্র প্রতিযোগিতা এবং নতুন আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার দাবি ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। ১৯৯৩ সালে খালেদা জিয়া যখন ভাষণ দেন, তখন শীতল যুদ্ধের অবসানের পর নতুন বিশ্বব্যবস্থার সম্ভাবনা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। আর ২০২৬ সালে তারেক রহমানের সামনে যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা সংকট, অর্থনৈতিক বৈষম্য, প্রযুক্তি ও বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার ওপর আস্থার সংকটÑ সব মিলিয়ে এক নতুন বাস্তবতা। জানা যায়, সোমবার নিউইয়র্ক পৌঁছানোর পর কর্মব্যস্ত সময় কাটাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউইয়র্কে তিনি গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে অবস্থান করবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্র সফরের শুরুতে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন। বৈঠকে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবদান, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর কার্যকর অংশীদারত্ব নিয়ে আলোচনা প্রাধান্য পাবে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মধ্যপ্রাচ্য এবং এশিয়ার বিভিন্ন মিত্র দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠকের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এসব আলোচনায় বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং কৌশলগত সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। এসডিজি অগ্রগতি পর্যালোচনা, ডিজিটাল উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক একাধিক উচ্চপর্যায়ের সাইড-ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখবেন।

জাতিসংঘের নথি অনুযায়ী, ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একাদশ বিশেষ অধিবেশনের তৃতীয় প্লেনারি সভায় জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাংলায় ভাষণ দেন। জিয়াউর রহমানের ভাষণের কেন্দ্রজুড়ে ছিল বিশ্ব অর্থনীতির বৈষম্য ও নতুন আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, বিশ্ব যখন আন্তঃনির্ভরশীল হয়ে উঠছে, তখন কেন প্রতিরক্ষা ব্যয়ে বিপুল অর্থ ব্যয় হবে, অথচ উন্নয়নশীল দেশগুলোর মানুষের জীবন থেকে দারিদ্র্য, ক্ষুধা ও বঞ্চনা দূর করার জন্য পর্যাপ্ত সম্পদ থাকবে না? তিনি বলেছিলেন, শান্তি ও নিরাপত্তাকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখা যায় না; রাজনৈতিক নিরাপত্তার সঙ্গে অর্থনৈতিক নিরাপত্তারও গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তার বক্তব্যে ধনী ও দরিদ্র বিশ্বের ব্যবধান বিশেষ গুরুত্ব পায়।

এর ১৩ বছর পর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মঞ্চে দাঁড়ান বেগম খালেদা জিয়া। ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর ৪৮তম সাধারণ অধিবেশনের ১৩তম প্লেনারি সভায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি ভাষণ দেন। জাতিসংঘের সরকারি কার্যবিবরণীতে তার বক্তব্যের তারিখ ও অধিবেশনের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। খালেদা জিয়ার ১৯৯৩ সালের ভাষণের মূল সুর ছিল গণতন্ত্র, মানবাধিকার, শান্তি, উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা। শীতল যুদ্ধের অবসানের পর বিশ্ব যখন নতুন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছিল, তখন তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন পরস্পরকে শক্তিশালী করে এবং দারিদ্র্য দূরীকরণ ছাড়া গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী করা কঠিন। বাংলাদেশের সীমিত সম্পদ, প্রযুক্তিগত ঘাটতি ও উন্নয়ন-চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।

১৯৯৫ সালের ২৩ অক্টোবর জাতিসংঘের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ স্মারক অধিবেশনেও ভাষণ দেন খালেদা জিয়া। এটি নিয়মিত সাধারণ বিতর্ক নয়, তবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আনুষ্ঠানিক বিশেষ অধিবেশন ছিল। সেই বক্তব্যে জাতিসংঘের প্রয়োজনীয়তা, শান্তি ও উন্নয়ন এবং বিশ্বব্যাপী সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের জন্য গঙ্গার পানিবণ্টন ও ফারাক্কা ইস্যুটিও আন্তর্জাতিক মঞ্চে জোরালোভাবে উপস্থাপন করেন।

এবার সেই ধারাবাহিকতার তৃতীয় অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে ২৪ সেপ্টেম্বর তার প্রথম ভাষণ। জাতিসংঘের এবারের অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্যÑ আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, রূপান্তর ব্যবস্থাপনা : সবার জন্য কার্যকর একটি জাতিসংঘ। অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খালিলুর রহমান। সূত্র বলছে, তারেক রহমানের ভাষণে বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি, গণতান্ত্রিক রূপান্তর, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং দেশের জাতীয় অগ্রাধিকারগুলো গুরুত্ব পেতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা। পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বার্থ, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও উন্নয়ন-সুযোগকে সামনে রেখে ‘বাংলাদেশ প্রথম’ পররাষ্ট্রনীতির বার্তা তুলে ধরারও কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

এদিকে শুক্রবার সকালে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশন শুরু হয়েছে। উদ্বোধনী অধিবেশনে জাতিসংঘ মহাসচিব এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি বক্তব্য রাখেন। এতে মোট চারটি সেশন ছিল। এ ছাড়া সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বেসরকারি খাত, শিক্ষাবিদ, বিশেষজ্ঞ, তরুণ প্রজন্ম এবং অন্যান্য অংশীদারদের এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

এদিকে জাতিসংঘ আয়োজিত ‘এসডিজি মোমেন্ট’ অনুষ্ঠানে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় গত শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। আমাদের এখন কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’

বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও যৌথ দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এক বার্তায় এসডিজি বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব জোরদার, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানগণও ভিডিও বার্তা দেন।

বরণে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি : সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর ঘিরে জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধানকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি, ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি সফল করতে এরই মধ্যে একাধিক প্রস্তুতি সভা করেছে দলটির যুক্তরাষ্ট্র শাখা ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো। বিভিন্ন স্টেট থেকে নেতাকর্র্মীদের নিউইয়র্কে নিয়ে আসার পাশাপাশি কর্মসূচিতে শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।

তারেক রহমানের সফরকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক ও বর্তমান নেতাদের মধ্যে ধারাবাহিক বৈঠক চলছে। সর্বশেষ ১৮ সেপ্টেম্বর জ্যাকসন হাইটসে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক নেতাদের একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় জানানো হয়, সফরকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্টেট, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এবং সাবেক নেতাদের নিয়ে এ পর্যন্ত ৩৪টি সভা হয়েছে। সভা থেকে বিমানবন্দর ও জাতিসংঘের সামনে কর্মসূচিতে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যাতে কোনো ধরনের অবনতি না ঘটে সে বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ ছাড়া ২১ সেপ্টেম্বরের আগে থেকেই কর্মসূচি শুরু করে তারেক রহমানের নিউইয়র্কে অবস্থানকালের পুরো সময়জুড়ে বিভিন্ন কার্যক্রম চালানোর সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছিল।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ভূঁইয়া মিল্টন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘে বাংলায় বক্তব্য রেখে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভূ-রাজনীতি ও অবস্থান শক্তভাবে তুলে ধরেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একাধিকবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও সর্বজনীন অধিকার নিয়ে বিশ্বের দরবারে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এবার ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে বাবা ও মায়ের রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে বিশ্বমঞ্চে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ ভাষণকে ঘিরে দেশি-বিদেশি রাজনৈতিক মহলে ইতোমধ্যেই তৈরি হয়েছে প্রবল আগ্রহ।

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য গিয়াস আহমেদ বলেন, আমরা নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। ইনশাআল্লাহ সোমবার জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাতে নেতাকর্মীর ঢল নামবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফর ঘিরে প্রবাসীদের মাঝে উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতাকর্মীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। নিউইয়র্ক দক্ষিণ মহানগর বিএনপির সভাপতি হাসিবুর রহমান সেলিম রেজা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তৃতীয় প্রজন্ম হিসেবে জাতিসংঘের অধিবেশনে ভাষণ দিতে যুক্তরাষ্ট্র আসছেন এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। আমরা তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। যুবদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি আবু সাঈদ আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে নিউইয়র্কে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে পোস্টার-ব্যানার লাগানো হয়েছে।








আরও খবর


Loading...
Loading...
প্রকাশক: এম এন এইচ বুলু
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মাহফুজুর রহমান রিমন  |   উপদেষ্টা সম্পাদক : রাজু আলীম  
বিএনএস সংবাদ প্রতিদিন লি. এর পক্ষে প্রকাশক এম এন এইচ বুলু কর্তৃক ৪০ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বুলু ওশেন টাওয়ার, (২১ তলা), বনানী, ঢাকা ১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
ফোন:০২৯৮২০০১৯-২০ ফ্যাক্স: ০২-৯৮২০০১৬ ই-মেইল: [email protected]