প্রকাশ: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২২ পিএম
(ভিজিট : ৩৭)
তামাক নিয়ন্ত্রণে নীতি ও অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম আরও জোরদার এবং আইন শক্তিশালী করতে বিধি প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তামাকবিরোধী নারী জোটের (তাবিনাজ) দুই দিনব্যাপী আবাসিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উন্নয়ন বিকল্পের নীতি-নির্ধারণী গবেষণা (উবিনীগ) আয়োজিত এ কর্মশালা গত ১১ ও ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকার গুলশানে অবস্থিত ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের আটটি বিভাগ—ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ—থেকে তাবিনাজের ২৩ জন সদস্য অংশ নেন।
কর্মশালায় তামাক নিয়ন্ত্রণের বর্তমান আইন এবং আইনের আলোকে দ্রুত বিধি প্রণয়ন, তামাকপণ্যে কার্যকর কর আরোপ, উদীয়মান তামাক ও নিকোটিন পণ্য এবং ভবিষ্যৎ অ্যাডভোকেসি কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর উল্লেখযোগ্য বিষয় এবং উদীয়মান তামাক ও নিকোটিন পণ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে চলতি অর্থবছরের বাজেটে ই-সিগারেট ও হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্ট (এইচটিপি) ব্যাপকভাবে ব্যবহারের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তাবিনাজের সদস্যরা।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দলগত অনুশীলনে অংশ নেন। সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের আলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিধি প্রণয়নে কীভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখা যায়, সে বিষয়ে দলগত কৌশল প্রণয়ন নিয়েও আলোচনা করা হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে কর্মশালার সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন উবিনীগের পরিচালক সীমা দাস সীমু। সমাপনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও উবিনীগের নির্বাহী পরিচালক ফরিদা আখতার।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা, ৩০৩ মহিলা আসন-০৩ এবং মোছা. সাবিরা সুলতানা, ৩১৪ মহিলা আসন-১৪। তারা তামাক নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন সিটিএফকের দক্ষিণ এশিয়া ও জর্ডান প্রোগ্রামসের রিজিওনাল ডিরেক্টর ডা. মাহিন মালিক এবং বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান।