প্রকাশ: রোববার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৬ এএম
(ভিজিট : ৫)
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় আছে। আজ (রোববার) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে, রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট।
গত ১৪ জুন বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল দুটি গ্রহণ করে আদেশ দেন। ওইদিন কার্যতালিকায় সোহেল রানার জেল আপিল ৩৪ নম্বর এবং স্বপ্না আক্তারের আবেদন ৩৫ নম্বর ক্রমিকে ছিল। এর ধারাবাহিকতায় আপিল দুটির শুনানি হয়।
এর আগে, শিশু হত্যায় আসামিদের সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্সের (মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিতকরণের) যাবতীয় নথি হাইকোর্টে এসে পৌঁছায়। তারও আগে, গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা মোতাবেক আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। আর ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে।
এছাড়া, আসামি সোহেলকে ৫ লাখ ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা শিশুর আইনগত উত্তরাধিকারকেদিতে বলা হয়েছে। জরিমানার টাকা না দিলে কালেক্টরেট অফিসকে তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও তা বিক্রি করে শিশু আইনগত উত্তরাধিকারদের প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রায়ে আরও বলা হয়, আসামিরা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারার বিধান সাপেক্ষে রায় ঘোষণার তারিখ থেকে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারবেন।