প্রকাশ: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩২ পিএম
(ভিজিট : ১০)
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে এখনো সাক্ষাতের নির্দিষ্ট করে কোনো সময় নির্ধারণ হয়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার (২৭ জুলাই) ইসি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের সই করা সংসদ সচিবকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ২৪ জুলাই স্বীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের দফা ২-এর বিধান অনুসারে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগের কারণে ওই পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে তা পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ এর ৫ ধারার (২) ও (৩) উপ-ধারার বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য স্পিকারের সঙ্গে সানুগ্রহ আলোচনাক্রমে নির্বাচন কমিশনকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে ঘোষণা করতে হবে। এ বিষয়ে স্পিকার কর্তৃক নির্ধারিত সুবিধাজনক তারিখ ও সময়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাক্ষাতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সাক্ষাতের সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে অন্য নির্বাচন কমিশনাররা এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আশ্রাফুল আলম সহযোগী কর্মকর্তা হিসেবে স্পিকারের দপ্তরে অবস্থান করবেন।
আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ২০২৬ প্রসঙ্গে আলোচনার নিমিত্ত স্পিকারের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাক্ষাতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো বলেও উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে।
নিয়ম অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হন। যার জন্য সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা তথা সংসদ সদস্যদের নাম ইসি সচিবালয়ে পাঠানো হবে। যার ভিত্তিতে ইসি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা করবে। এরপর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। এসব বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসি বৈঠক করবেন।
রাষ্ট্রপতির পদ থেকে গত শুক্রবার বিকেলে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। সংবিধানের ক্ষমতাবলে, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। অন্যদিকে, ভারপ্রাপ্ত স্পিকার হন সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে সংবিধানে।