প্রকাশ: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৭:২১ পিএম (ভিজিট : ২৫)
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক সংসদ সদস্য ও গণফোরাম সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা মোহসীন মন্টু’র প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ১৫ জুন সোমবার বিকাল ৪ টায় কাকরাইল ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা মোহসীন মন্টু’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত জাতীয় নেতৃবৃন্দ তাঁর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাঁর অনন্য ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন।

স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন-বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতা ও গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা, ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেন। গনফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট সুব্রত চেীধুরী সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন-মোস্তফা মোহসীন মন্টু’র সুযোগ্য কন্যা মহিলা গনফোরামের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার শ্রাবনী মোস্তফা, মোস্তফা মোহসীন মন্টু’র ছোট ভাই গনফোরামের সভাপতি পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা তৌফিক এহসান, ডাকসুর সাবেক ভিপি ও নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ নূরুল আম্বিয়া, বাসদের প্রতিষ্ঠাতা উপদেষ্টা কমরেড খালেকুজ্জামান, সিপিবির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন, বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ভাষানী জনশক্তি পার্টির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বাবুল, গনফোরামের সভাপতি পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এভভোকেট এস এম আলতাফ হোসেন, একেএম জগলুল হায়দার আফ্রিক, সুরাইয়া বেগম প্রমুখ। স্মরণসভা অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন গনফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক লতিফুল বারী হামিম।

এর আগে ১৫ জুন সোমবার সকালে বনানী কবরস্থানে গনফোরাম ও পরিবারের সদস্যবৃন্ধ দোয়া ও শ্রদ্ধা জানায়। এছাড়াও মোস্তফা মোহসীন মন্টু’র ভাগিনা বিএনএস গ্রুপের চেয়ারম্যান ও দৈনিক সংবাদ প্রতিদিনের প্রকাশক জনাব এম.এন. এইচ. বুলু বনানী কবরস্থানে হাফেজের মাধ্যমে দোয়া এবং পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের আয়োজন করেন।
উল্লেখ্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ঢাকা জেলা গেরিলা বাহিনীর প্রধান এবং সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা মহসীন মন্টু গতবছর ২০২৫ সালের ১৫ জুন মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তিনি চার মেয়ে, এক ছেলে, নাতিনাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মোস্তফা মোহসীন ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তিনি আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ সালে তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯২ সালে তিনি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত গণফোরামে যোগ দেন। ২০০৯ সালে তিনি গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন ও পরবর্তী সময়ে দলটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।