প্রকাশ: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৭:৩১ পিএম (ভিজিট : ৮)
গ্রীষ্মের এই সময়ে পাকা আমের লোভ সামলানো অনেকের জন্যই কঠিন। বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন কিংবা ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য আম খাওয়া নিয়ে চিন্তার শেষ নেই।
একটি মাঝারি সাইজের আমে প্রায় ১২০ থেকে ১৫০ ক্যালোরি এবং ৪৫ গ্রামের মতো শর্করা থাকে। তাই ভুল নিয়মে বা বেশি আম খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা এবং শরীরের ওজন দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে ডায়াবেটিস নিয়েও নিরাপদে আমের স্বাদ নেওয়া সম্ভব। চলুন, জেনে নিই।
পরিমাণ ঠিক রাখুন: সারাদিনে ইচ্ছেমতো আম খাওয়া যাবে না। দিনে বড়জোর একটি মাঝারি সাইজের পাকা আম খাওয়া যেতে পারে। এর বেশি খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা ও ওজন বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
রস বা শেক করে নয়, ফল হিসেবে খান: আম সবসময় কামড়ে বা টুকরো করে ফল হিসেবে খাওয়া ভালো।
আমের জুস, ম্যাঙ্গো শেক কিংবা ডেজার্ট বানিয়ে খেলে ফাইবার নষ্ট হয়ে যায় এবং সুগার লেভেল দ্রুত বাড়ে।
একবারে না খেয়ে ভাগে ভাগে খান: গোটা আমটি একবারে না খেয়ে সকাল ও বিকালের মধ্যে ভাগ করে নিন। ছোট ছোট টুকরো করে কিছু অংশ সকালে এবং বাকি অংশ বিকালে হালকা নাশতা বা স্ন্যাকস হিসেবে খেতে পারেন।
খাওয়ার সঠিক সময়: রাতে ঘুমানোর আগে আম না খাওয়াই ভালো, দিনের বেলা খেলে তা সহজে হজম হওয়ার সময় পায়। এ ছাড়া ভরা পেটে ভারী খাবারের সাথে আম না খেয়ে, সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবারের মধ্যবর্তী সময়ে খাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
অন্য খাবারের সাথে মিলিয়ে খান: পাকা আমের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি হওয়ায় এটি রক্তে দ্রুত সুগার বাড়ায়। তাই শুধু আম না খেয়ে দুটো আটার রুটি, বাদাম কিংবা স্প্রাউটের (অঙ্কুরিত ছোলা-মুগ) সাথে দু-এক টুকরো আম খেতে পারেন। এতে রক্তে সুগার হুট করে না বেড়ে ধীরগতিতে ছড়াবে।
সূত্র : এই সময়