প্রকাশ: রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪০ পিএম
(ভিজিট : ১৬)
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী হয়েছেন—প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ এমনটাই দেখেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তবে পুরো ঘটনা স্পষ্ট করতে আরও বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, শনিবার রাতে সালমান মুক্তাদিরের একটি স্টুডিওতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ বিষয়ে বিভিন্ন অভিযোগ ও বক্তব্য দেন। চাঁদা না দেওয়ায় স্টুডিওতে হামলা হয়েছে বলে সালমান অভিযোগ করলেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো মামলা করা হয়নি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পুলিশ জানিয়েছে, সালমান নিজেও বলেছেন—তার কাছে কেউ চাঁদা দাবি করেনি। এমনকি চাঁদা চাওয়া হলে তিনি তা দিতেন বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন। ফলে কার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে, তা এখনো নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা যায়নি।
ঘটনাস্থল মানিকদী নামাপাড়া, যা ক্যান্টনমেন্ট থানার আওতাধীন বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে প্রায় ৩৫ শতাংশ জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। এক পক্ষ একটি বিল্ডার প্রতিষ্ঠান এবং অন্য পক্ষ একজন অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তা।
মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার পক্ষের কিছু লোক রাতে জায়গাটি দখলের চেষ্টা করে। এ সময় সেখানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই স্থাপনার ভেতরে সালমান মুক্তাদিরের একটি টিনশেড স্থাপনাও ছিল, যেখানে বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট তৈরি করা হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই স্থাপনাতেও ভাঙচুর করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঘটনাটি নিয়ে ইতোমধ্যে প্রাথমিক তদন্ত হয়েছে। তবে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার করতে আরও তদন্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছে পুলিশ। সালমান মুক্তাদিরের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো মামলা করা হয়নি। তার ফেসবুক লাইভে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্যের কারণে ঘটনাটি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা, কিছু দেশীয় অস্ত্রসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।