ঢাকা মহানগরীর যানজট, ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, যানজট নিরসন, খাল খনন ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণ এবং নিরাপদ ও টেকসই ঢাকা বিনির্মাণ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সিটি করপোরেশনগুলোর চলমান কার্যক্রম তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, বড় শহরগুলোতে মানুষের চলাচল সহজতর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাস্তায় মানুষের মূল্যবান সময় নষ্ট হলে এর বড় অর্থনৈতিক প্রভাব পড়ে। তাই নগরবাসীর চলাচল স্বাভাবিক রাখতে যানজট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে চলমান কার্যক্রম আরো জোরদার করার পাশাপাশি নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
মন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে বলেন, আজকের সভায় আলোচিত বিষয়গুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
বিশেষ করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশনগুলোর চলমান কার্যক্রম আরো জোরদার করতে হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
সভায় ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, যানজট নিরসন, খাল খনন ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণ এবং নিরাপদ ও টেকসই ঢাকা বিনির্মাণে চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি দেখে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন।
সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।